দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের প্রস্তুতি তুঙ্গে, সাজো সাজো রব সমুদ্রতটে


দিন দর্পণ, ২৮এপ্রিল, দিঘাঃ দিঘা জুড়ে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।ইতিমধ্যেই দিঘায় পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রয়েছে শীর্ষ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও।মানুষের মধ্যেও উত্তেজনা চূড়ান্ত।বিপুল মানুষের জনসমাগমের আন্দাজ করে আগে থেকেই প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে প্রশাসন।সকাল থেকে আম, বেলকাঠ দিয়ে চলেছে বিশ্ব শান্তিযজ্ঞ।সকাল ও সন্ধে হচ্ছে মঙ্গল মন্ত্রযজ্ঞও।পুরো কর্মকাণ্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন পুরীর প্রধান সেবাইত রাজেশ দ্বৈতাপতি।তাঁর সাথে রয়েছেন ইসকনের সহ-সভাপতি তথা সদ্য নির্মিত জগন্নাথ মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য রাধারমণ দাস।

স্বভাবতই বিভিন্ন মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে যে দিঘার মন্দিরের উদ্বোধন কখন?কীভাবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা, মহাযজ্ঞের জন্য কী কী মিষ্টি তৈরি হচ্ছে? মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য রাধারমণ দাস জানান, ২৯ এপ্রিল মূল যজ্ঞর পর সন্ধেয় ফুলে সাজানো বিছানায় শোয়ানো হবে জগন্নাথ দেবকে।পরের দিন পাথরের বিগ্রহের জগন্নাথ দেব ও রাধা-কৃষ্ণর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।অক্ষয় তৃতীয়ার দিন প্রথমে ভগবানকে সোনা, রুপো ও তামার তার দিয়ে বেঁধে সেই তারকে প্রধান পুরোহিতের কোমড়ে বাঁধা হবে।এরপর ঘট স্থাপন, কুণ্ড ও অবশেষে প্রতিবিম্ব।

মন্দির সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে মহাযজ্ঞের জন্য পেঁড়া, খাজা, গজা, রসগোল্লা ইত্যাদি মিষ্টি তৈরিও করা হচ্ছে।পুরীতে যেরকম জগন্নাথের প্রসাদ হিসেবে খাজা দেওয়া হয়, তেমনই দিঘাতেও ঠাকুরের প্রসাদ হিসেবে পেঁড়া এবং গজা দেওয়ার কথাও আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।সমস্ত কাজে খতিয়ে দেখতে এদিন বেলায় দিঘাতে পৌঁছেও গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সবকিছুর তদারকিও করছেন।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এই জগন্নাথ ধাম নতুন ও পুরনো প্রজন্মের জন্য নতুন একটা কৃষ্টি, সম্প্রীতির মেলবন্ধন হয়ে থাকবে।যারা কাজটা করেছেন খুব ভালভাবে করেছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *