দিন দর্পণ, ২৬এপ্রিল, ঘাটালঃ অল্পবৃষ্টিতেই জমা জলের কষ্টে হাওড়াবাসীর প্রাণ অতিষ্ট হয়ে ওঠে।হাওড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ ঘন্টা খানেক বৃষ্টি হলেও রাস্তায় দুদিনের বেশি জল জমে থাকে।সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে যায় হাঁটু জল।পরিস্থিতির জন্য পুরসভা, প্রশাসনকেই দায়ী করেন বাসিন্দারা।
হাওড়ায় জমা জলের প্রতিবাদে অতীতে বহুবার বাসিন্দারা অবরোধও দেখিয়েছেন।ইতিমধ্যে হাওড়া পুরসভা এলকায় জমা জল দ্রুত নিকাশি করতে ৯টি পাম্পিং স্টেশন তৈরির কাজ চলছে।মে মাসের মধ্যে তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষর।এই পাম্পিং স্টেশনগুলির সাহায্যে জমা জল দ্রুত নামানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন পুরকর্তারা।
হাওড়াবাসীর বড়ো অভিযোগ নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে।তাঁরা জানায়, কোনও প্ল্যানিং ছাড়াই যততত্র বসতি গড়ে উঠেছে।পুরসভাও এ বিষয়ে কোনও ভ্রূক্ষেপ করেনি।এমনকী নালা থাকলেও তা নিয়মিত সংস্কার করা হয় না।এই সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে পুরসভা জানায় নিকাশি ব্যবস্থার আমূল সংস্কারে ৯কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য।ওই টাকা দিয়েই এবার নতুন করে ১০টি পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে।এছাড়াও নিকাশি সংস্কারে আরও অনেক কাজ করা হবে।
হাওড়া পুরসভা সমগ্র এলাকাতেই বর্ষাকালে জল যন্ত্রণা চরম আকার নেয়।এর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন শিবপুর, উত্তর ও দক্ষিণ হাওড়ার বাসিন্দারার।টিকিয়াপাড়া, সালকিয়া, দক্ষিণ হাওড়ার বি গার্ডেন লেন প্রভৃতি এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রীতিমতো বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
পুরসভা সূত্রের খবর, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সমস্যার সমাধানে নতুন করে ১০টি পাম্পিং স্টেশন গড়ে তোলা হবে।এর মধ্যে টিকিয়াপাড়া ও বেলগাছিয়ায় একটি করে, দক্ষিণ হাওড়ায় দু’টি এবং শিবপুর ও উত্তর হাওড়ায় তিনটি করে পাম্পিং স্টেশন গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে।ফলে এবারের বর্ষায় শহরের বাসিন্দাদের আর জল যন্ত্রণার মুখোমুখি হতে হবে না বলেই দাবি পুর কর্তৃপক্ষর।
