দিন দর্পণ, ২২এপ্রিল, কলকাতাঃ আবারও খাস কলকাতায় ট্রলিব্যাগ বন্দি মৃতদেহ।বাগুইআটিতে একটি কালো রঙের ট্রলিব্যাগ থেকে এক মহিলার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।মঙ্গলবার সকালে দেশবন্ধুনগর এলকার স্থানীয়রা একটি নালিতে পরিত্যক্ত ট্রলিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখেন।ওই ভাবে নালির মধ্যে ট্রলিব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়।স্থানীয়রা তখনই পুলিশে খবর দেন।পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগটি খোলে।পুলিশ সূত্রেখবর, ট্রলিব্যাগটি খুলতেই ভিতরে দেখা যায় একটি মহিলার মৃতদেহ।ওই মহিলার মুখে বাদামি রঙের টেপ লাগানো।মৃতার পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।মহিলাকে অন্য কোথাও খুন করে এখানে ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আশপাশের এলাকাতেও খোঁজ চালানো হচ্ছে কোথাও কোনও নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে কি না।মহিলার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।এই কাণ্ড স্মৃতি উস্কে দিয়েছে কয়েক মাস আগে কুমোরটুলির কাছে ট্রলিব্যাগে দেহ উদ্ধারের ঘটনার।গত ফেব্রুয়ারিতে কুমোরটুলি ঘাটের কাছে ধরা পড়েন ফাল্গুনী ঘোষ এবং তাঁর মা আরতি ঘোষ।তাঁদের কাছে একটি ট্রলিব্যাগ ছিল।তার ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয় এক মহিলার টুকরো টুকরো দেহ।জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, মৃত মহিলা ফাল্গুনীর পিসিশাশুড়ি সুমিতা ঘোষ।অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে ট্রলিতে ভরেছিলেন মা এবং মেয়ে।তার পর ট্যাক্সি করে ট্রলি নিয়ে এসেছিলেন কুমোরটুলি এলাকায়।সেখানে গঙ্গায় ট্রলি ভাসিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।কিন্তু তার আগেই ধরা পড়ে যান মধ্যমগ্রামের এই দুই বাসিন্দা।
