দিন দর্পণ, ১৬এপ্রিল, কলকাতাঃ আর কিছুদিনের অপেক্ষা।তারপরই রাজ্যে দিঘায় চালু হতে চলেছে জগন্নাথ মন্দির।পুরীর আদলে তৈরি জগন্নাথ মন্দির নিয়ে রাজ্যবাসীর মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।এখন থেকেই দীঘার বেশিরভাগ ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল রুম সবকিছুরিই বুকিং ফুল।আর হাতে গোন কয়েকটি দিন।দীঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে বুধবার বিকালে নবান্নে সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন তিনি বলেন, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন।জগন্নাথ মন্দিরের পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে ইস্কন।পুরীর মতোই প্রতিদিন ধ্বজা উত্তোলন করা হবে।মূল মন্দিরের পাথরের মূর্তিটি রাজস্থান থেকে আসবে।দীঘার রথে থাকবে নিমকাঠের তৈরি মূর্তি।পুরীর আদলেই থাকবে ভোগশালাও।সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে মহাকুম্ভের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ভিড় সামলানোর একাধিক মে আই হেল্প ইউ বুথ রাখবেন।সাথে থাকবে পুন্যার্থীদের জন্য একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা।
রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে জগন্নাথ মন্দিরের জন্য ট্রাস্ট বোর্ড গঠন করা হয়েছে।তাতে থাকছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক, জেলার পুলিশ সুপার, ইসকন এবং সনাতন ধর্মের প্রতিনিধি এবং জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পূজারী।তিনি এও স্পষ্ট করে দেন, ট্রাস্টের সদস্য তিনি নন।যা করছেন একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে করছেন।দীঘার জগন্নাথ ধামের মূল দরজাটি থাকবে চৈতন্যদ্বারে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই জায়গার নাম হবে চৈতন্যদ্বার জগন্নাথ ধাম।তিনি বলেন,প্রতিটি জায়গার সদ্বব্যহার হয়েছে।পুরীতে যেমন ধ্বজা তোলা হয়, সে ব্যবস্থাও এখানে থাকছে।ইতিমধ্যেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার মার্বেলের মূর্তি তৈরি হয়ে গেছে।কিন্তু, নিমকাঠের মূর্তি তৈরির কাজ চলছে এটি ই সামনে রেখে পুজো করা হবে।এ বার প্রথম বার রথযাত্রা হবে এখানে।তিনি আরও বলেন, রথযাত্রায় একটা সোনার ঝাড়ু থাকে, আপনারা জানেন।ওটার জন্য আমার পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা দেব।
