ভয়ানক দাবানলে পুড়ছে দক্ষিণ কোরিয়া


দিন দর্পণ, ২৬মার্চঃ ভয়াবহ আগুনে পুড়ছে দক্ষিণ কোরিয়া।সময়ের সাথে বেড়েই চলেছে আগুনের লেলিহান শিখা।আবহাওয়ার সমস্যার কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকল ও সেনাবাহিনীকে।এখনো পর্যন্ত বিধ্বংসী আগুনে প্রাণ কেড়েছে ১৮ জনের।দাবানলের কারণে ঘর ছাড়া কয়েক হাজার মানুষ।১৫ হাজার হেক্টর জমি আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছে।প্রকৃতির রুদ্ররোষ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণ কোরিয়ার দেউংগুনসান পাহাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক গৌনসা মন্দির।যা তৈরি হয়েছিল ৬৮১ খ্রিস্টাধে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এটাই সবথেকে ভয়ানক দাবানল বলে উল্লেখ করেছে সরকার।জারি করা হয়েছে জরুরী অবস্থা।এই মুহূর্তে আগুন নেভানোর কাজে নেমেছে প্রায় ৫ হাজার দমকলকর্মী।কাজে লাগানো হচ্ছে পুলিশ ও সেনার শয়ে শয়ে ইউনিটকে।৮৭টি হেলিকপ্টারের সাহায্যে জল দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ চলছে।কিন্তু কখনও শুষ্ক আবহাওয়া আবার কখনও হাওয়ার দাপটে আগুন নেভাতে হিমশিম খাচ্ছেন সকলে।এছাড়া আতঙ্ক তৈরি হয়েছে ইউনেসকোর স্বীকৃতপ্রাপ্ত হাহো গ্রাম এবং আন্দং শহরের বাইয়ংসান কনফুসিয়ান অ্যাকাডেমি নিয়ে।এই অঞ্চলগুলোর খুব কাছেই নতুন করে দাবানলের ধোঁয়া দেখা গিয়েছে।সেখান থেকেও বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

গত ২১ মার্চ থেকে রাজধানী সিওল থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত গিয়ংসাং প্রদেশের সানচেং-এ প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়।সেই আগুন থেকেই লেলিহান শিখায় পুড়ছে বিঘার পর বিঘার জমি।এরপর ২২ মার্চ উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের ইউইসিয়ং, উলসান শহরের উলজু এলাকা, এবং দক্ষিণ গিয়ংসাংয়ের গিমহেতেও দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।আগুন নেভাতে দমকলের সঙ্গে হাত লাগিয়েছে সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষও।

প্রতি মুর্হূতে আগুন নেভানোর কাজ চলছে।এখনো পর্যন্ত ৫ হাজার দমকলকর্মী আগুন নেভানোর কাজ করছে।তারই সঙ্গে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আগুন নেভানোর কাজ করছে।৮৭টি হেলিকপ্টারের সাহায্যে জল দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ চলছে।কিন্তু, শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এবং কখনও হাওয়ার দাপটে আগুন নেভাতে হিমশিম খাচ্ছেন সকলে।পরিবেশবিদরা বলছেন, এহেন দাবানল দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন কিছু নয়।বিশেষ করে এই ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসে আবহাওয়া শুষ্ক থাকার কারণে জঙ্গলে দাবানলের সূত্রপাত হয়।কিন্তু এই রকম ভয়াবহ পরিস্থিতি এর আগে কখনও দেখেনি দক্ষিণ কোরিয়া।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *