গত দুই বছরে মৃত ৪৫৬টি চিতা বাঘ প্রকৃতি সংরক্ষণে উদ্বেগ বাড়ছে


দিন দর্পণ, গান্ধিনগরঃ গুজরাটের বিধানসভা চলাকালীন বনমন্ত্রী মুলু ভাই বেরা জানিয়েছেন, গত দুই বছরে রাজ্যে ২৮৬টি এশিয়াটিক সিংহ এবং ৪৫৬টি চিতাবাঘের মৃত্যু হয়েছে।এরমধ্যে অনেক প্রাণীর মৃত্যুই অস্বাভাবিক।তিনি আরও বলেন, ৫৮টি সিংহ এবং ১৫৩টি চিতাবাঘ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মারা গেছে, যেমন যানবাহনের ধাক্কায় আহত হয়ে বা কুয়োতে পড়ে ডুবে গিয়ে।

বিশ্বের বৃহত্তম এশিয়াটিক সিংহ-এর আবাসস্থল গির অরণ্য হলেও, এই মৃত্যুর পরিসংখ্যান সিংহদের সংকুচিত জনসংখ্যা এবং প্রজনন সমস্যার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে আরও অনেক।গুজরাটের সরকার এ বিষয়ে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন পশুদের চিকিৎসার জন্য পশুচিকিৎসক নিয়োগ ও প্রাণী পরিবহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা, তবে এই প্রাণীর মৃত্যুর হার কমানো যাচ্ছে না।

২০২৩ সালে ১২১টি সিংহ এবং ২২৫টি চিতাবাঘ মারা গেছে, এবং ২০২৪ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৬৫ এবং ২৩১।রাজ্যে বর্তমানে ৬৭৪টি এশিয়াটিক সিংহ রয়েছে, যা ২০২০ সালের জুনে করা একটি গণনায় নির্ধারিত হয়েছিল।এসময়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি গুজরাটের বান্তারা পশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রশংসা করেছেন।তিনি এই উদ্যোগকে ভারতের বহু পুরনো প্রাণী সুরক্ষা নীতির উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।বান্তারা প্রতিষ্ঠাতা অনন্ত আম্বানি বলেছেন, তিনি ঈশ্বরের আশীর্বাদে পশু সেবায় নিজেকে নিযুক্ত করতে পেরেছেন।যদিও অনেকেই মানব কল্যাণে কাজ করছেন, পশু কল্যাণে কম লোকই আগ্রহী বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *