মধ্যপ্রদেশে স্মৃতি হারালেন একই সাথে পাঁচ প্রসূতি


দিন দর্পণ, ভোপালঃ মধ্যপ্রদেশে অবশ করার ইঞ্জেকশনের কারণে স্মৃতি হারালেন পাঁচ প্রসূতি।ইঞ্জেকশনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখার জন্য পাঠায়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশ্নের মুখে পড়েছেন।রেওয়া জেলার গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে শুক্রবার সিজার করা হয় পাঁচ প্রসুতির।তারপর জেনারেল বেডে দেওয়ার পরই তাঁদের মধ্যে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়।দ্রুত তাঁদের আইসিউ-তে দেওয়া হয়।

চিকিৎসকরা মনে করছেন, সিজারের জন্য মেরুদণ্ডে যে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়, তা থেকে এই সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।মধ্যপ্রদেশ স্বাস্থ্য দফতর ওই অচেতন করার ইঞ্জেকশন পরীক্ষার জন্য পাঠানোর পরই প্রশ্ন উঠেছে ইঞ্জেকশন প্রস্তুতকারী সংস্থাকে নিয়ে।অসুস্থ প্রসূতিদের সবার বয়স ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে।মধ্যপ্রদেশে ইঞ্জেকশনে সমস্যা এই প্রথমবার নয়।আগেরবছর আগস্টে ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকশন নিয়ে পাঁচ প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল।বাংলায় প্রসূতি মৃত্যুতে বিরোধীরা সরব হলেও মধ্যপ্রদেশের ডবল ইঞ্জিন সরকারের গাফিলতিতে মৃত্যুর ঘটনা দ্রুত সেই সময় ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধ নিষিদ্ধ হয়েছিল রাজ্যজুড়ে।কিন্তু সেখানেও সেই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কিন্তু,মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটলেও এবারে সদ্য মা হওয়া মহিলারা স্মৃতিই হারিয়ে ফেললেন, যার পিছনে ইঞ্জেকশনকেই প্রাথমিকভাবে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা।বুপিভ্যাকাইন নামের ওই ইঞ্জেকশনের ব্যবহার দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।একইসঙ্গে চিকিৎসকরা দাবি করেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে প্রসূতিদের কোমায় চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।চিকিৎসকরাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় পাঁচ প্রসূতির মধ্যে চারজন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছেন বলে দাবি।একজন এখনও আইসিইউ-তে ভর্তি।কিন্তু, ওই ইঞ্জেকশানের ডোজ কতটা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *