দিন দর্পণ, কলকাতাঃ আহিরীটোলার ঘটনার নয়া মোড়।পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ থেকে যে সমস্ত তথ্য সামনে আসছে তা শুনে সকলেই অবাক হবেন।ফাল্গুনীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে, সে স্বীকার করে পিসি শাশুড়ির সম্পত্তি হাতানো চেষ্টা করছিল।অনেক আগেই পিসিশাশুড়ির এটিএম কার্ডের পিন ফাল্গনী বদলে দিয়েছিল।মৃতার ব্যাঙ্কে থাকা ৭০ ভরী গয়না এবং তার ব্যাঙ্কে থাকা নগদ সাড়ে তিন লক্ষ্য টাকা হাতানোর জন্যই এতো কিছু।
ফাল্গুনীর স্বামী আসামের জোড়হাটের বাসিন্দা।সে তার স্বামীর সাথে প্রায় পাঁচবছর থাকে না।স্বামীর সাথে অশান্তির পরই সে মধ্যমগ্রামের আসে।আসামে তার স্বামীর বৈদ্যুতিন সামগ্রীর দোকান আছে।স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে।মধ্যমগ্রামে ফাল্গুনীর মা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন।সেখানেই ওঠে মেয়ে।বিগত কয়েরবছর তারা ওই জায়াগাতেই থাকতেন।১১ফেব্রুয়ারি সেখানেই এসেছিলেন সুমিতা দেবী অর্থাৎ ফাল্গুনীর পিসি শাশুড়ি।বরাবরই ফাল্গুনীর লোভ ছিল সুমিতার গহনা ও টাকা পয়সার উপর।সুমিতা ও ফাল্গুনী দুজনেই নিঃসন্তান হওয়ায় কে এই সম্পত্তি পাবে সে নিয়ে পরিবারের মধ্যেই বিতর্ক ছিল।
হঠাৎই রবিবার দিন দুপুরে অশান্তির শুরু হয় সুমিতা ও ফাল্গুনীর মধ্যে।তখনই দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয় এবং তারপরই ফাল্গুনী ইটের আঘাতে মেরে ফেলেন সুমিতাকে।কিন্তু, তারপর তারা মাথা ঠান্ডা রেখে মা ও মেয়ে রবিবার মৃতদেহ বাড়িতে রেখে বেড়োয়।পরে তারা বাড়ি ফিরে মৃতারই আনা ট্রলিব্যাগের মধ্যে তার দেহ ভরে ফেলেন ও পড়ে সেটি নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন।প্রথমে বাড়ি থেকে ট্রলি ভ্যানে করে মধ্যমগ্রাম স্টেশান তারপর ট্রেনে করে শিয়ালদহ এবং তারপর ট্যাক্সি করে আহিরীটোলা ঘাট।কিন্তু সকলের মনে একটাই প্রশ্ন কেন পিসি শাশুড়ির উপর এতই আক্রশ শুধুমাত্র কী সোনা গয়না টাকা পয়সা নাকি অন্য কিছু!তদন্তেরপরতে পরতে রহস্য সামনে আসছে।
