ট্যাংরা কান্ডে তিন জনকে নিখুঁতভাবে খুন


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ বুধবার ট্যাংরার এক বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় একই পরিবারের তিন সদস্যের দেহ দুই গৃহবধু ও এক নাবালিকার দেহ।বৃহস্পতিবার তাদের ময়নাতদন্তের রির্পোটে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের সকলকেই খুন করা হয়েছে।নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ায়।এছাড়া দুই গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে গলার এবং হাতের শিরা কেটে।

সকলের মনে একটাই প্রশ্ন এই খুনের পিছনের কারণ কী বা কারা রয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, তিনজনের দেহ পড়েছিল দোতলায়, অন্যদিকে রক্তাক্ত ছুরি পড়ে ছিল তিন তলার ঘরে।এই সবকিছুর পিছনের কারণ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।শুক্রবার সকালে ট্যাংরার ওই বাড়িতে পৌঁছেছিলেন এনআরএস হাসপাতালের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা।তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন।ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের বিস্তারিত রির্পোট পাওয়া গেলে কোনও নতুন তথ্য উঠে আসতে পারে।

এর আগে মৃতদেহ দেখেই চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, নিখুঁত ভাবে দুই বধুর হাতের শিরা কাটা হয়েছে।এতো নিখুঁত ভাবে একমাত্র ঘুমন্ত বা অচৈতন্য অবস্থায় থাকলেই সম্ভব।শিরা কাটার সময়ে দু’জনের কারও হাত সে ভাবে নড়েইনি পর্যন্ত।

প্রণয় এবং প্রসূনরা বাইপাসের ধারের হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।আহতদের মধ্যে একজন দাবি করেছিলেন, তাঁরা আত্মহত্যা করতে বেরিয়েছেন।সোমবার রাতে তাঁরা ছ’জন মিলে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।কিন্তু পরের দিন দুই ভাইয়ের ঘুম ভেঙে যায়।জেগে ওঠে প্রতীপও।তার পরেই ঘুমন্ত অবস্থায় দুই বধূর শিরা কাটা হয় বলে অনুমান পুলিশের।এনআরএস-এর ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা থেকে বিস্তারিত আর কী কী তথ্য খুঁজে পান সেটাই এখন জানার আসল বিষয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *