দিন দর্পণ, দক্ষিণ ২৪ পরগণাঃ শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ল পূণ্যার্থীদের একটি বাস।ঘটনাটি ঘটেছে গঙ্গাসাগরের কমলপুর গ্রামের চৌরঙ্গী বাজার সংলগ্ন এলাকায়।এই ঘটনার পর তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগায়।আহত ১০ পুণ্যার্থীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।বাসটির কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রের খবর, পূণ্যার্থীদের নিয়ে একটি বাস কচুবেড়িয়া থেকে গঙ্গাসাগরের দিকে যাচ্ছিল।মাঝপথে বাসের নিয়ন্ত্রণ হারায় বাসের চালক।তারপরই পাশে থাকা নয়ানজুলিতে পড়ে যায় বাসটি।বাসে ৩২ জন যাত্রী ছিলেন।
শুক্রবার সকালে ঘড়ির কাঁটায় সাড়ে সাতটা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া থেকে যাত্রী ভর্তি বাসটি গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।চৌরঙ্গীর কাছে ঘটে দুর্ঘটনা।হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খালে উলটে যায় বাসটি।বিকট শব্দ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন।পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ও বিডিও কানাইয়া কুমার রাও যান ঘটনাস্থলে।সকলের চেষ্টায় একে একে বাসটি থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।তাঁদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর থাকায় তাঁদের পাঠানো হয়েছে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে।
গতির কারণে দুর্ঘটনা কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।পাশাপাশি বাসটিতে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তাও দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত যাত্রীরা।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত উদ্ধারকাজে নামে স্থানীয়রা।এরপর সাগর থানায় খবর গেলে পুলিশকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন।একে একে বের করা হয় পূণ্যার্থীদের।তাদের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।পূণ্যার্থীদের সহযোগিতার জন্য সবরকম চেষ্টা করছে প্রশাসন।প্রাথমিক চিকিৎসার পর যাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।তাদেরকে আবারও অন্য গাড়িতে করে কপিলমুনি আশ্রমের দিকে পাঠানো হয়েছে।
