দিন দর্পণ, কলকাতাঃ আলিপুর চিড়িয়াখানার পশুপাখিদের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির ভাবনা হিডকোর।আলিপুর চিড়িয়াখানার বিপরীতে জমিতে পিপিপি মডেলে বাণিজ্যিকীকরণ করা হচ্ছে।সেই কারণে চিড়িয়াখানার প্রায় আড়াইশো কাঠা জমি ছাড়তে হয়েছে বন দপ্তরকে।যার পরিবর্তে উন্নতমানের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির দায়িত্ব নিয়েছে হিডকো।চিড়িয়াখানার বীপরীতে বনদপ্তরের যে জমি রয়েছে সেখানে পশু হাসপাতাল ও অ্যাকোরিয়াম আছে।এরই সঙ্গে রয়েছে চিড়িয়াখানার প্রাণী চিকিৎসক ও কর্মী আধিকারিকদের থাকার জন্য কোয়ার্টার।পশু হাসপাতাল ছাড়া বাকি জমি পিপিপি মডেলে বাণিজ্যিকীকরণ করা হচ্ছে।ওই জমি হিডকোকে দিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বরাত দেওয়া হচ্ছে।বহুতল নির্মাণ করা হবে এই জায়গায়।যার একটি ফ্লোরে থাকবে সরকারি জিনিসপত্র বিক্রির স্টল।এবং আর অন্যগুলোতে বেসরকারি ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা করতে পারবেন।রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।
ওই জমি ছাড়ার জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পাবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার।চিড়িয়াখানায় আসা নতুন কিছু অতিথিদের জন্য ২০০০ বর্গমিটারের বিকল্প জমিতে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করতে হবে হিডকোকে।আলিপুর চিড়িয়াখানা সূত্রে খবর, আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারের কাছে একটি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে।সেখানে হিডকো কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করার কথা ভাবছে।
চিড়িয়াখানা সূত্রে খবর, যখন বাইরে থেকে নতুন পশুপাখি চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসা হয় তখন বেশ কিছুদিন তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখাটাই নিয়ম।যার কারণ বাইরে থেকে আসা পশুপাখিরা অনেক সময় ভাইরাস বহন করে থাকে।কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষে তাদের দর্শকদের সামনে নিয়ে আসা হয়।কিন্তু আলিপুর চিড়িয়াখানা আলাদা করে কোনও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার নেই।চিড়িয়াখানার প্রাঙ্গণের ভিতরে আইসোলেশন ইউনিটে কোয়ারেন্টাইন করা হত পশুপাখিদের।এতদিন, চিড়িয়াখানার ভিতরে যেহেতু আইসোলেশন ইউনিট, তাই এখানে বাকি পশুপাখিদের ঝুঁকি থেকে যায়।চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণের বাইরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হলে এই ঝুঁকি থাকবে না।তাছাড়া আলিপুর মহিলা সংশোধনাগার থেকে চিড়িয়াখানার দূরত্বও খুব বেশি নয়।সেখানে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গড়া হলে সুবিধা হবে।
