অত্যাধুনিক বিমানবন্দরকে টেক্কা ভারতীয় রেল স্টেশানের


দিন দর্পণ, মালদহঃ অমৃত ভারত ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে অমৃত ভারত প্রকল্পে রেল মন্ত্রক মালদা টাউন স্টেশনকে আধুনিকভাবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।দেশের ১২ টি স্টেশনকে এি অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।যার মধ্যে মালদহ টাউন স্টেশনটি অন্যতম।এই স্টেশনটি নতুনভাবে আধুনিকীকরণ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৩কোটি টাকা।বর্তমান সময়ে মালদহ টাউন স্টেশনে সাতটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।এবং আরও একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই স্টেশনের উপর দিয়েই গুয়াহাটি, আগরতলা থেকে প্রতিদিনই দিল্লি, মহারাষ্ট্র, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা,সহ বিভিন্ন রাজ্যে যাতায়াতের জন্য অসংখ্য এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে।

রোজ মালদহ স্টেশন দিয়ে অন্তত ৬০ জোড়া এক্সপ্রেস, যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল করে।ওয়েটিং লাউঞ্জের চেহারা ফাইভ স্টার হোটেলের ঘরের মতো করা হয়েছে।এন্ট্রি, এগজিট দেখে মনে হবে যেন কোনও এয়ারপোর্টের গেট।বিভিন্ন ধরনের আলোকসজ্জা, মার্বেল ও টাইলস,এর ছোঁয়ায় অন্যদের টেক্কা দিয়েছে এই স্টেশন।এস্কেলেটর, লিফট চালু হয়েছে।সঙ্গে রয়েছে, ফুটওভার ব্রিজ এবং আধুনিক পার্কিং জোনের সুবিধে।

যাত্রী সফরে লক্ষ্মীলাভও হয়েছে মালদহ টাউন স্টেশনের।যার মূল কারণ, গত বছরের গোড়া থেকে শুরু হওয়া মালদহ টাউন-বেঙ্গালুরু-মালদহ টাউন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।আর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে এই ট্রেনের উপযোগিতা বুঝতে পেরেছে রেল কর্তৃপক্ষ।অমৃত ভারত এক্সপ্রেস যে মালদা টাউন স্টেশনের লক্ষ্মীর ভান্ডার হয়ে উঠতে চলেছে, তা প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন মালদহ ডিভিশনের আধিকারিকরা।পরবর্তী সময়ে মালদা থেকে দিল্লিগামী ফরাক্কা এক্সপ্রেস বালুরঘাট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ায় কিছুটা চিন্তায় ছিলেন তাঁরা।ওই ট্রেনটি বর্তমানে বালুরঘাট থেকে ভাতিণ্ডা পর্যন্ত যাতায়াত করে।কিন্তু তাতেও ওই ট্রেনের পুরনো আয়ে কোনও ভাটা পড়েনি বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা।তাঁদের দাবি, ফরাক্কা এক্সপ্রেসের আয় কমে যাওয়া তো দূরের কথা, বরং বেড়েছে।যার ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হল রেল।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *