একজন ব্যক্তির ন’টির বেশি সিমকার্ড ব্যবহার আইনত অপরাধ


দিন দর্পণ, ১৪ফেব্রুয়ারিঃ গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সংসদে কেন্দ্র দাবি জানায়, বাংলায় বর্তমান সময়ে গড় চার লক্ষ মানুষের কাছে নয়টির বেশি সিম কার্ড রয়েছে।নয়া টেলিকম আইন অনুসারে, কোনও ব্যক্তির নামে সর্বাধিক নটি সিমকার্ড থাকতে পারে।যদি কোনও ব্যক্তির নামে নটির বেশি সিম কার্ড সচল থাকে তাহলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি।গত বছরের জুন মাসে নতুন টেলিকম আইন চালু করে কেন্দ্র।ওই আইন অনুসারে, ন’টির বেশি সিম ব্যবহার করা অপরাধ।প্রথম বার আইন ভাঙলে, সর্বাধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।পরে একই অপরাধ করলে জরিমানার অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়ে দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।এমনকি তিন বছর পর্যন্ত জেলও হতে পারে এই অপরাধের কারণে।

সংসদে রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, রাজ্যে মোট কতজনের কাছে ন’টির বেশি সিম রয়েছে।তাঁর প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় যোগযোগ প্রতিমন্ত্রী পি চন্দ্রশেখর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের ৪,০৫,৩০৭ জন বাসিন্দাকে কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে।তাঁদের নামে ন’টির বেশি সিম রয়েছে।রাজ্যে কত জনের কাছে ন’টির বেশি সিম রয়েছে, তা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।জবাবে কেন্দ্রীয় যোগযোগ প্রতিমন্ত্রী পি চন্দ্রশেখর সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের ৪,০৫,৩০৭ জন বাসিন্দাকে কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে।তাঁদের নামে ন’টির বেশি সিম রয়েছে।এ ছাড়া সর্বাধিক সীমা অতিক্রম করে যাওয়ার কারণে গত পাঁচ বছরে বাংলায় ১৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯৩৪টি সিম বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

নয়া নিয়ম অনুসারে দেশে সিমকার্ড ব্যবহারকারীরা মাথাপিছু ন’টি সিম থাকার নিয়ম থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে।যেমন জম্মু ও কাশ্মীর, অসম এবং উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিতে সর্বাধিক ছ’টি সিম ব্যবহার করতে পারেন এক জন ব্যক্তি।সংসদে শমীক  জানতে চান, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও ব্যবহারকারী পিছু সিমের সংখ্যা কমিয়ে ছয়ে নামিয়ে আনার কোনও ভাবনাচিন্তা রয়েছে কি কেন্দ্রের?জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের এমন কোনও পরিকল্পনা নেই।

পশ্চিমবঙ্গে ভুয়ো সিম সংযোগ বন্ধ করতে কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সেই প্রশ্নও করেন বিজেপি সাংসদ।তাঁর এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে।কোন কোন ব্যবহারকারীর নামে নির্ধারিত সীমার বেশি সিম চালু রয়েছে, তা প্রযুক্তির সাহায্যে খতিয়ে দেখা হবে।তার পরে সেই তথ্য অনলাইনে একটি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম মারফত সংশ্লিষ্ট টেলিকম সংস্থাকে দেওয়া হয়।টেলিকম সংস্থাগুলি তা পুনর্যাচাই করে সিমগুলি বন্ধ করে দেয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *