দিন দর্পণ, ১ফেব্রুয়ারীঃ মৌনী আমাবস্যার দিনের ঘটনার পর নড়চড়ে বসেছে উত্তর প্রদেশ সরকার।৩০-এর উপরে পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর একাধিক নিশেধজ্ঞা জারি করেথে যোগী সরকার।২০১৯ সালের অর্ধকুম্ভের সময় পুণ্যার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের দুই সিনিয়র আইএএস আশিস গোয়েল এবং ভানুচন্দ্র গোস্বামীর।এবার তাঁদের লক্ষৌ থেকে প্রযাগরাজে নিয়ে এসেছেন যোগী।
মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানের বিশেষ কিছু তিথি রয়েছে।তার মধ্যে একটি গত মঙ্গলবার মৌনী অমাবস্যার তিথি।মঙ্গলবার মধ্য রাত এবং বুধবার ভোরের দিকে গঙ্গা, যমুনা এবং অন্তঃসলিলা সরস্বতীর সঙ্গমে স্নান করতে পুণ্যার্থীদের ভিড় উপচে পড়েছিল।ব্যারিকেড ভেঙে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩০ পুণ্যার্থীর।মৃতদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেরও কয়েক জন বাসিন্দা রয়েছেন।এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের মেলার জন্য ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।ইতিমধ্যেই তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলাও হয়েছে।
গত মঙ্গলবারের ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি।তারই মধ্যে রবিবার সরস্বতী পুজোতে(বসন্ত পঞ্চমী) আরও একটি পুণ্যস্নানের তিথি রয়েছে।মৌনী অমাবস্যার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এ বার অভিজ্ঞ আমলাদের উপরও ভরসা রাখছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।পুণ্যার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের দুই সিনিয়র আইএএস কর্তাদের উপর ভরসা রাখছেন যোগী সরকার।অর্ধকুম্ভের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁরও।এই ত্রয়ীর উপরেই ভরসা করে রবিবার পুণ্যার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য নামছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।
