মহাকুম্ভের অমৃতযোগে মহা বিপর্যয়


দিন দর্পণ, ২৯জানুয়ারিঃ ১৪৪ বছর পর মহাকুম্ভের যোগ পড়েছে।আর এই মহাকুম্ভের অমৃতযোগে স্নান করে পুণ্যার্থীরা পুণ্য প্রাপ্তির আসায় ভিড় করেছেন প্রয়াগরাজে।মৌনী অমাবস্যায় লক্ষ্য লক্ষ্য ভক্ত সমগম হয় প্রয়াগে।এবার সেই ভিড়েই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ১৫ জনের।নিখোঁজ অনেকে।প্রচন্ড ভিড়ের কারণে ব্যারিকেড ভেঙে যায়।কমপক্ষে দশ হাজার পুণ্যার্থী একই সঙ্গে স্নান করতে যাওয়ার কারণেই এই বিপত্তি।খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

মৌনী অমাবস্যায় লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী প্রয়াগরাজের সঙ্গমে স্নান করতে ভিড় জমিয়েছিলেন।প্রবল ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খায় মেলা কর্তৃপক্ষ।পরে ঘোষণার মাধ্যমে ভক্তদের দ্রুত ঘাট খালি করার অনুরোধ জানানো হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।ফলত পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটে।এতে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।আর প্রচুর মানুষ গুরুতর আহত।

মৌনী অমাবস্যা উপলক্ষে দ্বিতীয় পুণ্যস্নানে অন্তত ৫ কোটি মানুষ আসতে পারেন বলে মনে করছিল প্রশাসন।বিরাট সংখ্যার এই ভিড় নিয়ন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল দুর্ঘটনার পর তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে।সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর তরফে।

এই ঘটনার পর যোগী আদিত্যনাথ নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, পুণ্যার্থীদের কাছে আমার আবেদন, মা গঙ্গার নিকটবর্তী যে ঘাটে আপনি রয়েছেন সেখানেই স্নান করুন।ত্রিবেণী সঙ্গমের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না।প্রশাসনের তরফে যে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তা পালন করুন।পুণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন প্রশাসনের সাথে সহযোগীতা করুন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *