দিন দর্পণ, ২৩ জানুয়ারিঃ আজ বাঙালির প্রিয় দেশনায়কের জন্মদিন।জাতির নায়ক নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৮ তম জন্মজয়ন্তী বর্ষ।শুধু দেশ নয় বাংলার প্রতিটি কোণায় কোণায় পালন হয় দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন।কারোর কাছে তিনি প্রিয় নেতা।কারোর কাছে তিনি জীবনের আদর্শ।তাঁকে দেখে বাঙালি তথা দেশবাসীর বিপ্লব শেখা।তাঁর কীর্তি আর কাহিনি শুনেই ভারতবাসীর বড় হওয়া।ভারতকে পরাধীনতার অন্ধকার থেকে বার করে আনতে প্রাণ দিয়ে লড়েছিলেন এই বঙ্গ সন্তান।সুভাষের মৃত্যু নেই।বিপ্লবের মৃত্যু হয়না।বাঙালির কাছে অন্তত নেই।তাই বাংলা তাঁর মৃত্যুদিন পালন করে না।সুভাষের শুধুই জন্মদিন।
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা সুভাষচন্দ্র বসু।ভারতের স্বাধীনতা অর্জন আন্দোলনে তিনি হলেন এক অতি-উজ্জ্বল ও মহান চরিত্র, যিনি নির্দ্বিধাভাবে এই মহাসংগ্রামে নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেন।সুভাষচন্দ্র বসু পরপর দু’বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।কিন্তু, মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে আদর্শগত সংঘাত, কংগ্রেসের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রকাশ্য সমালোচনা এবং বিরুদ্ধ-মত প্রকাশ করার জন্য তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়।ভারতের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে নেতাজী ভাতরবর্ষ স্বাধীন করার লক্ষ্যে বিট্রিশদের নজরদারি এড়িয়ে পেশোয়ার, আফগানিস্তান হয়ে জার্মানিতে হোক, কিংবা সাবমারিনে করে জাপানে পাড়ি সর্বত্র তাঁর কৃতীত্ব অকল্পনীয়।তাঁর নেতৃতেই দেশে আজাদ হিন্দ ফৌজের পথ চলা শুরু।
নেতাজীর অর্ন্তধান আজও রহস্য সকল ভারতবাসীর কাছে।বিভিন্ন ধরণের মতপ্রকাশ আছে তাঁর অর্ন্তধান ঘিরে।ঐতিহাসিকদের মতে, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট, সুভাষচন্দ্র বসুকে বহনকারী জাপানি বিমান, জাপান শাসিত ফোরমোসায়(বর্তমান তাইওয়ান) বিধ্বস্ত হওয়ার পর, আগুনে দগ্ধ হয়ে তার মৃত্যু ঘটে।কিন্তু, এ ঘটনাও যে একশো শতাংশ সত্যি সে নিয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেন অনেকই।তাই ভারতে আজও নেতাজীর শুধুমাত্র জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়।সুভাষের মৃত্যু নেই।বিপ্লবের মৃত্যু হয়না।বাঙালির কাছে অন্তত নেই।তাই ভারতে আজও নেতাজীর শুধুমাত্র জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়।সুভাষের শুধুই জন্মদিন।নেতাজি আজও বেঁচে রয়েছে সকল ভারতবাসীর মনে।
নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৮ তম জন্মবার্ষিকীতে দিনদর্পণের পক্ষ থেকে তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।
