দিন দর্পণ, ২২জানুয়ারিঃ পশ্চিমবঙ্গ স্কুলের সিলেবাসে এবার থেকে শুরু হয়েছে পকসো আইন।পাঠ্য বইয়ের মাধ্যমে পড়ুয়াদের অবগত করা হবে কোন অপরাধে কী শাস্তি ইত্যাদি।কবিতার মাধ্যমে উল্লেখ করা হল পকসো আইনের বিভিন্ন অংশ।পকসো আইনের পাশাপাশি চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই গুড টাচ ব্যাড টাচ আরও বড় ভাবে সিলেবাসে নিয়ে আসা হল।শুধু পকসো নয়, স্কুলের পাঠ্যবইতে এবার আসতে চলেছে আত্মসচেতনতার পাঠ।
সেইসঙ্গে সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত সচেতনতাও স্থান পেল স্কুলের পাঠ্য বইতে।প্রতিটি পড়ুয়াকে সাইবার সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে পড়ানো হবে।সাইবার অপরাধ কী এবং এই অপরাধ করলে কী শাস্তি তার বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে পাঠ্যবইতে।অশ্লীল কনটেন্ট পাঠালে কী শাস্তি হয়? কীভাবে তা এড়ানো যায়? অশ্লীল কন্টেন্ট যাতে কেউ তৈরি করতে না পারে তার জন্য কীভাবে সতর্ক হতে হবে? এ বিষয়েও জানতে হবে পড়ুয়াদের।এর ফলে প্রতিটি পড়ুয়া তাদের নিজেদের সচেতন করতে পারবে।একই সঙ্গে তাদের পরিবারের মানুষদেরও সচেতন করতে সফল হবে বলে আশা করা যায়।এবং পকসো আইন সম্পর্কে জ্ঞান থাকবে।একদিকে কিশোরদের শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত আইন সম্পর্কে ধারণা হবে।অন্যদিকে যৌন হয়রানি করলে অভিযুক্তের কী শাস্তি হতে পারে তাও জানা থাকবে।সহজ সরলভাবে এক নজরে পকসো আইনকেই অন্তর্ভুক্ত করা হল ক্লাস সেভেনের পাঠ্যক্রমে।সাধারণভাবে অচেনা ব্যক্তি এমন কাজ করলে কী শাস্তি হতে পারে তা লেখা আছে এতে।
অন্যদিকে শিশুর অভিভাবক ভূমিকায় থাকা বা সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা একজন একই অপরাধ করলে কী শাস্তি হতে পারে তারও বিস্তারিত হদিশ রয়েছে।ভারতের বেশিরভাগ যৌন হয়রানিমূলক অপরাধ বা ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি আক্রান্তের পরিচিত হন।শিশু বা কিশোর ও কিশোরীরাও অনেক সময় পরিচিত ও আত্মীয় স্বজনদের কাছে হয়রানির শিকার হয়।এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তের কী শাস্তি হতে পারে তারও খোঁজ রয়েছে নতুন পাঠ্যক্রমে।
