দিন দর্পণ, লক্ষৌঃ আবারও উত্তরপ্রদেশে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু ৪ দুষ্কৃতীর।অপরাধ দমনের জন্য অনেকদিন থেকেই পুলিশ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাছিল।অবশেষে সোমবার রাত ২টো ৩০মিনিট নাগাদ পুলিশ ৪জনকে এনকাউনচার করে।পুলিশ ও দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে কাগ্গা গ্যাংয়ের সদস্যদের।এই চার কুখ্যাত অপরাধীর মধ্যে একজনের মাথার দাম ছিল এক লক্ষ টাকা।পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের গুলিতে আহত হয়েছে এক পুলিশ আধিকারিক।মৃত দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে দেশি কারবাইন বন্দুক-সহ বহু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে এই গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য আরশাদকে খুঁজছিল পুলিশ।তার খোঁজ পেতে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।লুঠ, ডাকাতি, হত্যা-সহ এক ডজনের বেশি মামলা ছিল আরশাদের বিরুদ্ধে।সোমবার শামলী জেলায় ঝিনঝানা এলাকা তাদের উপস্থিতির খবর পায় পুলিশ।তারপরই অভিযানে নামে এসটিএফের মিরাট টিম।৪ অপরাধী একটি গাড়িতে ছিল।তাদের গাড়ি আটকানের চেষ্টা করে পুলিশের দল।তখনই পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে দুষ্কৃতীরা।পালটা গুলি চালায় পুলিশ।প্রায় ৪০ মিনিট ধরে দুই পক্ষের গুলির লড়াই চলে।তারপর মৃত্যু হয় ৪অপরাধীর।পাশাপাশি গুলি লাগে এসটিএফের ইন্সপেক্টর সুনীল কুমারের।গুরুত্বর আহত হন তিনি।তাঁকে প্রথমে করনালের অমৃতধারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুগ্রামের বেদান্ত হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
যোগী সরকার উত্তর প্রদেশ থেকে অপরাধ নিমূল করতে একেরপর এক এনকাউন্টার চালাচ্ছেন।যার কারণে বহু বিতর্কের সম্মুখীন তাঁকে হতে হয়েছে কিন্তু তিনি কোনরকম পিছ পা হননি।২০১৭ সাল থেকে ২০২৪,গত ৭ বছরে উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টারে নিকেশ হয়েছে ২১৭ জন অপরাধী।মাফিয়াদের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি ৭৫৪৬ জন দুষ্কৃতীকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
