দিন দর্পণ, কলকাতাঃ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুন্দরবন জেলা পুলিশের সাহায্যে অভিযান চালিয়ে বকখালি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।মঙ্গলবার বহুতল বিপর্যয়ের পর তিনি বকখালিতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।তাঁর সন্ধানে তল্লাশি জারি রেখেছিল পুলিশ।সূত্রের খবর, বুধবার রাতে একবার মোবাইল ফোন অন করেন সুভাষ রায়।তাতেই তাঁর টাওয়ার লোকেশন জানতে পারেন তদন্তকারীরা।সুন্দরবন জেলা অন্তর্গত ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশের সাহায্যে বকখালির এক হোটেল থেকে শেষপর্যন্ত ধরা পরেন সুভাষ রায়।তাকে বকখালি থেকে কলকাতায় আনা হচ্ছে।বাঘাযতীনের ফ্ল্যাটের মালিক-সহ ৮টি ফ্ল্যাটের মালিক ও ফ্ল্যাটের প্রমোটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছিল।কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকেও নেতাজি নগর থানায় ৭টি ধারায় মামলা রুজু হয়।যার মধ্যে ৪টি কেএমসি অ্যাক্ট এবং তিনটি মামলা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী।
বাঘাযতীনের ঘটনাস্থলে বহুতল ভাঙার কাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।তিনি প্রমোটারকে এবং হরিয়ানার যে সংস্থা বাড়িতে কাজ করছিল তাদের নিশানা করেছেন।বেআইনি নির্মাণের জন্যই এই ঘটনা।বাড়ি তৈরির আগে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।তিনি আরও বলেন গাড়ি লিফট করার যন্ত্র নিয়ে বাড়ি লিফটিং করার হচ্ছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।হরিয়ানার সংস্থাকে উল্লেখ করেই মেয়র বলেন, তারা ভেবেছিল হারিয়ানার মতোই বাংলার মাটি পাথুরে।কিন্তু বাংলার মাটি নরম সে বিষয়ে তাদের কোন ধারণা ছিল না।প্রোমোটার এবং সংস্থার গাফিলতি স্পষ্ট।তাদের গাফিলতিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।
