নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহারে স্বাস্থ্য দফতরের রির্পোট প্রকাশ


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের নিষিদ্ধ সেলাইন ব্যবহারে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে একটি রির্পোট প্রকাশিত করা হয়েছে।সেই রির্পোটে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।এই রির্পোটে সামনে উঠে এসেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির তথ্য।স্বাস্থ্য দফতরের রির্পেটের ভিত্তিতে কতকগুলি বিষয় পরিষ্কার করে বলা আছে।যেমন, প্রথম মিনারা বিবি, বাচ্চা প্রসবের সময় ৩৫ মিনিট।অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার সময় ১ঘন্টা ৫৫মিনিট।দ্বিতীয় মামনি রুইদাস, বাচ্চা প্রসবের সময় ৩০ মিনিট।অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার সময় ১ঘন্টা ২০ মিনিট(মৃত প্রসুতি)।তৃতীয় মাম্পি সিং, বাচ্চা প্রসবের সময় ৯ মিনিট।অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার সময় ১ঘন্টা ১৭ মিনিট।চতুর্থ নাসরিম খাতুন, বাচ্চা প্রসবের সময় ১৩ মিনিট।অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার সময় ২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট।পঞ্চম রেখা সাউ, বাচ্চা প্রসবের সময় ১৫ মিনিট।অপারেশন সম্পূর্ণ হওয়ার সময় ১ঘন্টা ২৫ মিনিট।এই পাঁচ জনেরই দায়িত্বে ছিলেন আরএমও সৌমেন দাস।

বিশেষজ্ঞদের মতে,বাচ্চা প্রসবের সময়সীমা গড়ে ১০ মিনিট।কিন্তু সেক্ষেত্রে মৃত  প্রসূতি সহ আরও একজনের প্রসবের সময়সীমা ছিল ৩০ মিনিটের কাছাকাছি।অর্থাৎ পদ্ধতিগত বা চিকিৎসাগত সমস্যা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।আরও বড়ো প্রশ্ন একই সময় একজন চিকিৎসক দুটি অপারেশন টেবিল ব্যবহার করেন কা করে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করছেন।শিক্ষার্থী চিকিৎসকরা ভয় পেয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্যই কী অতিরিক্ত অক্সিটোসিন ব্যবহার করেন?প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা যাবতীয় গাফলতির তথ্য প্রমাণিত হলে চিকিৎসকদের ডাক্তারি লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।স্বাস্থ্য দফতরের তরফে তৈরি করা তদন্ত কমিটির রির্পোটে প্রাথমিক ভাবে যে গাফিলতির তথ্য উঠে এসেছে সি আই ডি-র তদন্তে সেই গাফিলতির প্রমাণ হলে চিকিৎসকদের লাইসেন্স পর্যন্ত বাতিল হতে পারে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *