ক্যালির্ফোনিয়ার দাবানলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ


দিন দর্পণ, ১৩ জানুয়ারিঃ ২০২৫ সালের জানুয়ারির ৭তারিখে ক্যালির্ফোনিয়ায় এক ভয়াবহ দাবানলের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে যানা যায়, এই দাবানলের আগুন গত ছয়দিন থেকে অনেক চেষ্টার পরেও নেভানো যায়নি।এই দাবানলের উৎস এখানো জানা সম্ভব হয়নি।এই আগুনে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের কিন্তু এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।১৬ জন নিখোঁজ তাদের খোঁজার কাজ চলছে।১২ হাজারের বেশি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।এই  সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম।দাপুটে হাওয়ার বেগে ক্ষণিকের বিরতি নিতে বাধ্য হয়েছেন দমকল কর্মীরাও।কারণ, হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৩৫ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার।শহরের প্রায় ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।লস অ্যাঞ্জেলেসে লুটপাটের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।দমকল কর্মীদের ছদ্মবেশে লুটপাট করছে।পুলিশ তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।এই দাবানলের কারণে ভাড়া ও হোটেলের দাম বেড়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার আবহাওয়া বিভাগ জানা হয়, গত কয়েকদিন হাওয়া গতিবেগ কম থাকায় দাবানল নেভাতে দমকল বাহিনী সর্বোচ্চ শক্তি খরচ করেছিল।কিন্তু রবিবার রাত থেকে ফের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার দিক থেকে শুষ্ক হাওয়া সান্টা আনা ঘণ্টায় প্রায় ৯৬ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে এসেছে।হাওয়ার সাথে যুদ্ধ করে আগুন নেভাতে চাওয়া খুবই বোকামি।তাই আগুন নেভানোর কাজে বাধা সৃষ্টি করছে এই টর্নেডো।গতিবেগ যত বাড়ছে, আরও দাউদাউ জ্বলে উঠছে আগুনের লেলিহান শিখা।বলা হচ্ছে, শহরের একেবারে উলটোদিকেও ছড়াচ্ছে আগুন।কানাডা, মেক্সিকোর মতো পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে দমকল বাহিনীকে আনা হচ্ছে স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য।হাওয়ার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দমকলকর্মীদের।বেশ কিছু অঞ্চলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও, পালিসেডেস, ইটন, কেনেথ, লিডিয়া, হার্স্ট এবং আর্চার অঞ্চলে আগুন এখনও জ্বলছে।রবিবার পালিসেডেসের আরও ১০০০ একরে নতুন করে দাবানলের আগুন ছড়িয়েছে।বিশেষজ্ঞ দের মতে, মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল হতে চলেছে এই দাবানল নিয়ন্ত্রণ।ইতিমধ্যে বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তা কয়েকশো কোটি ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা।সপ্তাহখানেক আগেকার দাবানলে ঘরদোর হারিয়েছেন হলিউডের নামী শিল্পীরা।পরিস্থতি স্বাভাবিক হোক সকলের এখন একটাই প্রার্থনা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *