দিন দর্পণ, ১২জানুয়ারিঃ কুম্ভমেলা হলো হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থযাত্রা এবং উৎসব।শেষ কুম্ভমেলা হয়েছিল ২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কুম্ভ মেলায় ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ জনসমাগম হয়েছিল।এটি ১২ বছর পর পর বৃহস্পতির একটি পূর্ণ প্রদক্ষিণের সময় অনুষ্ঠিত হয়।এই মেলা চারটি নদীতীরবর্তী তীর্থস্থানে পালিত হয়।প্রয়াগরাজে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতী নদীর মিলনস্থলে, হরিদ্বারের গঙ্গায়, নাসিকের গোদাবরী এবং উজ্জয়িনীর শিপ্রায়।তবে ২০২২ খ্রিস্টাধ থেকে পঞ্চম স্থানে এই মেলা পুনরারম্ভ করা হয়েছে, আর সেই পঞ্চম কুম্ভ মেলাটি হল বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী সঙ্গম কুম্ভ মেলা।৭০০ বছর বন্ধ থাকার বন্ধ থাকার পর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়ার কাছে হুগলি, সরস্বতী ও যমুনা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে এই মেলার পুনরুদ্ধার করা হয়।প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, নাসিক ও উজ্জয়িনীর কুম্ভ মেলা ইউনেস্কো অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
বিশ্বের যত ধর্মীয় সমাবেশ আছে তার মধ্যে অন্যতম বড়ো এই সমাবেশ।প্রয়াগরাজে আগামীকাল থেকে মহাকুম্ভের স্নান শুরু হবে।গতকাল থেকেই ভক্তদের সমাগম হতে শুরু করেছে।মহাকুম্ভের কারণে প্রয়াগরাজের কোনায় কোনায় সেজে উঠেছে।কুম্ভে ভিড় করেছে দেশ বিদেশের নানা মানুষ।মহাকুম্ভের প্রস্তুতিতে কোনো খামতি রাখেনি যোগী সরকার।প্রতি মুহুর্তে ভক্তদের ভিড় বাড়ছে।এরই আরএসএসের স্বচ্ছতা আভিযান শুরু হয়েছে।মহাকুম্ভের স্থান পরিষ্কার রাখার দায়িত্বে রয়েছেন তারা।এই অভিযান চলবে মেলার শেষ দিন পর্যন্ত।নাচ গান এবং বিভিন্ন সোভা যাত্রার মধ্যে দিয়ে মানুষজন আসছেন মহাকুম্ভে।মহাকুম্ভে উপছে পড়া ভিড় ভক্তদের মধ্যে।
