দিন দর্পণ, রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জের শিল্পীনগরের পুরনো জাতীয় সড়ক এলাকায় ঘটে গেল মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা।শুক্রবার মেয়েকে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছনোর জন্য বাইকে যাচ্ছিলেন বাবা।আচমকাই উলটোদিক থেকে আসা একটি ডাম্পারের ধাক্কায় বাইক থেকে পড়ে যান দুজনে।সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হয় বাবার।গুরুতর জখম অবস্থায় মেয়ে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় ব্যপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।ডাম্পারটিতে আগুন লাগিয়ে দেয় স্থানীয়রা।দুর্ঘটনার পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শুক্রবার ৩ তারিখ দুপুরের।মৃতের নাম সুভাষ দে সরকার।বাড়ি রায়গঞ্জের চণ্ডীতলায়। বয়স পঁয়ষট্টি।তিনি মেয়ে সুস্মিতাকে নিয়ে তাঁর কর্মস্থলে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন।সুস্মিতা দে সরকার এক স্থানীয় নার্সিংহোমের নার্স।মেয়েকে সেখানে পৌঁছে দিতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হয় সুভাষ দে সরকারের।মেয়ে সুস্মিতা জখম হয়ে ভর্তি হাসপাতালে।মৃতের ছেলে শুভজিৎ রায়গঞ্জ আদালতের আইনজীবী।তাঁর অভিযোগ, শিল্পীনগরের এই রাস্তা সবসময়ে খুব ব্যস্ত থাকে।কিন্তু এখানে কোনও স্পিড ব্রেকার নেই, কোনও পুলিশ কিয়স্কও নেই।তা থাকলে এই বাইক দুর্ঘটনায় আমার বাবার মৃত্যু হতো না।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দু-একদিনের মধ্যেই এখানে স্পিড ব্রেকার বসানো হবে।পুলিশ কিয়স্কও করে দেওয়া হবে।যাতে ট্রাফিক ঠিকমতো সামলানো সম্ভব হয়।
