দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ শুক্রবার সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার দাপটে জেরবার দিল্লিসহ গোটা উত্তর ভারত।তার সঙ্গে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত।দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার কারণে শুক্রবার প্রায় ২০২টি উড়ান ছাড়তে দেরি হয়েছে।ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এদিন সকালে দৃশ্যমানতা শূন্যে গিয়ে ঠেকে।ভোরের দিক থেকে বিমান ছাড়তে দেরি হওয়ায়, সেই প্রভাব বেলার দিকেও দেখা যায়।তবে কুয়াশার জেরে কোনও বিমানের রুট বদলাতে হয়নি।শুধুমাত্র দিল্লিই নয়, চণ্ডীগড় ও শ্রীনগর বিমানবন্দরেও উড়ান ওঠানামায় ব্যাপক সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা।
ভোর সাড়ে ৬টায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, যে বিমানগুলিতে ক্যাট থ্রি প্রযুক্তি নেই, সেগুলি ওঠানামার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী কর্তৃপক্ষ।এই ক্যাট থ্রি প্রযুক্তি হল, যা খারাপ দৃশ্যমানতায় সাহায্য করে।মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিল্লিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।৬ জানুয়ারি বৃষ্টি হতে পারে।আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে ৮ই জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে কুয়াশার দাপট থাকবে।
শুধুমাত্র বিমান নয়, খারাপ আবহাওয়ার জন্য ট্রেন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে।দিল্লিগামী প্রায় ২৪টি ট্রেন দেরিতে চলছে।অযোধ্যা এক্সপ্রেস ৪ ঘণ্টা দেরিতে চলছে।এদিকে গোরখধাম এক্সপ্রেস দুই ঘণ্টারও বেশি দেরিতে চলছে।বিহার ক্রান্তি এক্সপ্রেস এবং শ্রম শক্তি এক্সপ্রেস তিন ঘণ্টারও বেশি দেরিতে চলছে খবর।শুক্রবার দিল্লি, অমৃতসর, বেঙ্গালুরু, গুয়াহাটি, লখনউ ঘন কুয়াশার সর্তকবার্তা জারি করেছে মৌসম ভবন।হিমাচল প্রদেশের একাংশ ও লাদাখে হালকা বৃষ্টি ও তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।এদিকে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে বঙ্গেও।কাঁপছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ম তাপামাত্রা ১৩.২ ডিগ্রি।জলপাইগুড়ির তাপমাত্রা আবহাওয়া দপ্তরের রেকর্ড বলছে শুক্রবার জলপাইগুড়ির মরশুমের সবচাইতে শীতলতম দিন।সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এসে নেমেছে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
