বছর শেষে উদ্ধার জাল ঔষুধের চক্র


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ বেশ অনেকদিন থেকেই শহরের বেশকিছু জায়গায় চলছিল জাল ঔষুধের ব্যবসা।এবার কলকাতায় ধরা পড়ল জাল ঔষুধ তৈরি ও বিক্রির চক্র সামনে এল।সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গ্যানাইজেশন এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল ড্রাগ কন্ট্রোল ডিরেক্টরেটের যৌথ অভিযানে ধরা পড়ল নকল অ্যান্টি ক্যানসার, অ্যান্টি ডায়াবেটিক বিভিন্ন ধরনের ওষুধ।মঙ্গলবার সকালে এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৬কোটি ৬০ লক্ষ টাকার নকল ঔষুধ।কলকাতার একটি ওষুধের দোকান থেকে উদ্ধার প্রচুর নকল ওষুধ।নকল সমস্ত ঔষুধের ওপর বিভিন্ন দেশের স্টাম্প লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে।আয়ারল্যান্ড, তুর্কি, বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বিভিন্ন ওষুধের লেভেল উদ্ধার করা হয়েছে।তারই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে ওষুধ প্রস্তুত করার বিভিন্ন সামগ্রী।

যদিও এই সব ওষুধ আমদানির কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেনি সংস্থা।এমএস কেয়ার অ্যান্ড কিওর ফর ইউ নামে ওই সংস্থা এখন নজরে।এক মহিলা এই নকল ঔষুধ ব্যবসা চালাত বলে জানা যায়।পুলিশ ইতিমধ্যে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে।কলকাতায় শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটের একটি বাড়ির এক তলায় ভাড়া নিয়ে এই জাল ওষুধের ব্যবসা চালাতেন ধৃত মহিলা।বাড়িতে আর কাউকে পাওয়া যায়নি।১৪ দিনের জেল হেফাজতে মহিলাকে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।স্থানীয় মানুষের দাবি কয়েকদিন আগে থেকেই পুলিশ লাগাতার এই বাড়িতে আনাগোনা করছিল।পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই গোডাউন থেকেই ওষুধ পাচার হত।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানায়, জনস্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে জাল ওষুধ বিরোধী অভিযান আরও করা হবে।এক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’নীতি নেওয়া হয়েছে।শুধু জাল ওষুধ বন্ধের অভিযানই নয়, বাজারে ওষুধের গুণগত মান পরীক্ষাতেও নজর দেওয়া হচ্ছে।যাতে নিম্নমানের কোনও ওষুধ আর বিক্রি না হয়, তার জন্যও অপারেশন চলছে।এদিন কলকাতা থেকে যে সমস্ত ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেসব পাঠানো হয়েছে ল্যাবরেটরিতে, গুণগত মান পরীক্ষার জন্য।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *