দিন দর্পণ, চন্ডীগড়ঃ গত ১৮ মাসে ১১জনকে খুন।পাঞ্জাবের এই সিরিয়াল কিলার খুবই অভিনব বুদ্ধিতে এই খুন গুলি করত বলে জানায় সে নিজেই।ভালো মানুষের মতো গাড়িতে লিফ্ট দেওয়ার নাম করে যাত্রীদের প্রস্তাব দেয়।সেই প্রস্তাবে রাজি হলেই রাতের অন্ধকারে খুন করত যাত্রীদের, তারপরেই ডাকাতি করে চম্পট দিত এই অপরাধী।অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ধরা পড়ে এই কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১৮ই আগস্ট কর্তারপুর মানালি রোডে সাহিবে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়।এই খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ।কিন্তু, সে সময়ে দীর্ঘ চার মাস কেটে গেলেও ওই খুনের কিনারা করতে পারেনি পুলিশ।সম্প্রতি জেলায় ঘটতে থাকা একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা দমন করতে নতুন করে তৎপর হয় পুলিশ।একটি পৃথক দলও গড়েন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।এর পরেই পুরনো ওই মামলায় সন্দেহভাজন এক যুবককে সোমবার গ্রেফতার করা হয়।অবশেষে মঙ্গলবার ওই খুনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ধৃতের নাম রাম স্বরূপ ওরফে সোধি।৩৭ বছর বয়সি ওই যুবক হোশিয়ারপুর জেলার চৌরা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশের জেরার মুখে পড়ে খুনি নিজে স্বীকার করে সে আরও ১০টি খুন করেছে।রাম স্বরূপ ওরফে সোধি পুলিশকে তাঁর খুনের পদ্ধতিটি নিজে যানায়।সে রাতের বেলা বেছে বেছে পুরুষদের গাড়িতে লিফ্ট দিতেন।গাড়িতে ওঠার পর কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁদেরকে ভয় দেখিয়ে তাদের থেকে টাকা পয়সা কিংবা মূল্যবান সামগ্রী কেড়ে নিত।সব শেষে শ্বাসরোধ করে কিংবা মাথায় ভারী ইট দিয়ে আঘাত করে খুন করত গাড়ির যাত্রীদের।একটি মৃতদেহের পিঠে ছুরি দিয়ে ‘বিশ্বাসঘাতক’ও লিখেছিলেন সোধি।দেহটি ছিল এক প্রাক্তন সেনা জওয়ানের।বর্তমানে সুরক্ষাকর্মী ছিলেন।ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।ভারতের ন্যায় সংবিধানের একাধিক ধারায়।
