দিন দর্পণ, কলকাতাঃ আর মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা।জানুয়ারির ৮ তারিখ থেকে শুরু হবে মেলা।প্রতি বছরই এই মেলায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।কিন্তু, বাংলাদেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত।সুন্দরবনের জল সীমানায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বিএসএফ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে।এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলায় নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।এ বছর মেলা অনুষ্ঠিত হবে এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।এবার নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর এবারের মেলায় সবমিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুন্দরবন জেলা পুলিশ।এবার মেলায় ইসরোর সহায়তায় স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং, জিপিএস ট্র্যাকিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হবে।এবারে ওয়াচ টাওয়ারের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেগুলির উচ্চতাও বৃদ্ধি করা হবে।অনেকটা বেশি এলাকা জুড়ে নজরদারি চালানোর জন্যই এই ব্যবস্থা করছে প্রশাসন।মেলায় আগত মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ‘উইনার্স টিম’কে ব্যবহার করা হবে।বিশেষ করে, বাস, ভেসেল এবং লঞ্চে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পুণ্যার্থীদের চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হবে।এগুলি ছাড়াও থাকবে, বোম্ব স্কোয়াড সহ একাধিক স্পিডবোট এবং লঞ্চ যা যাত্রীদের নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হবে।
অন্য বারে মেলা শেষের পরে পুলিশ কর্মীদের ডিউটি শেষ হয়ে যায়।কিন্তু, এবারে তেমনটা একেবারেই নয়।পরবর্তী নির্দেশ না যাওয়া পর্যন্ত মেলা শেষের পরও সেখানে পুলিশ পোস্টিং অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে।এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।বাংলাদেশের পরিস্থিতির কারণেই এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা স্পষ্ট।
