দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন কবে !


দিন দর্পণ, দিঘাঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিন দিনের দিঘা সফরে গিয়েছেন গতকাল।আজ বুধবার তাঁর দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘুরে দেখার কর্মসুচি আগেই জানিয়েছিলেন।সেই মতো আজ দুপুর দেড়টা নাগাদ তিনি জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শনে যান।এই মন্দির পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, জেলাশাসক, বিধায়ক ছাড়াও রয়েছেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস।তিনি পুরো মন্দির ঘুরে দেখেন কোথায় কতটা কী কাজ বাকি আছে এবং কীভাবে কাজ এগোচ্ছে তা খতিয়ে দেখেন।বিকেলে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দির পরিদর্শনের পর জানান, ‘‘৩০শে এপ্রিল ২০২৫ সালের অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হবে।’’ দিঘার সমুদ্র সৈকতের পাশেই এবার জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা হবে।আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যেই এই মন্দিরের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।বেশ কয়েক বছর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।পুরীর মতো একটা জগন্নাথ মন্দির দিঘায় বানানোর কথা।সেই মতোই কাজ শুরু করা হয়।দীর্ঘ ৩ বছর পর কাজ প্রায় শেষের দিকে।পুরীর মন্দিরের সাথে কোনরকম তুলনায় যাব না ওদেরটা বহু প্রাচীন রাজ রাজারা তৈরি করেছিলেন।দিঘারটা সম্পূর্ণ সরকারের পক্ষ থেকে করছি।প্রায় ২০একর জায়গা নিয়ে তৈরি গোটা মন্দির চত্বর।এই মন্দির নির্মাণে ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫০কোটি টাকা খরচ হয়েছে।আরও কিছু টাকা খরচ হবে বলে অনুমান করা যায়।এই মন্দিরে ভোগ ঘর, স্টোর রুম, গেস্ট রুম, বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা আলাদা আছে।এছাড়া আলাদা ভাবে ডালা নেওয়ার দোকান করা হবে।কালীঘাটের প্যাঁড়া থেকে শুরু করে গজা, গুজিয়া পাওয়া যাবে এই মন্দির চত্বর থেকে।এবং সেল্ফ হেল্প মেয়েদের কিছু দোকান বাইরে তৈরি করে দেওয়া হবে।

রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে জগন্নাথ মন্দিরের জন্য ট্রাস্ট বোর্ড গঠন করা হয়েছে।তাতে থাকছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক, জেলার পুলিশ সুপার, ইসকন এবং সনাতন ধর্মের প্রতিনিধি এবং জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পূজারী।তিনি এও স্পষ্ট করে দেন, ট্রাস্টের সদস্য তিনি নন।যা করছেন একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে করছেন।দিঘার জগন্নাথ ধামের মূল দরজাটি থাকবে চৈতন্যদ্বারে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই জায়গার নাম হবে চৈতন্যদ্বার জগন্নাথ ধাম। তিনি বলেন,প্রতিটি জায়গার সদ্বব্যহার হয়েছে।পুরীতে যেমন ধ্বজা তোলা হয়, সে ব্যবস্থাও এখানে থাকছে।ইতিমধ্যেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার মার্বেলের মূর্তি তৈরি হয়ে গেছে।কিন্তু, নিমকাঠের মূর্তি তৈরির কাজ চলছে এটি ই সামনে রেখে পুজো করা হবে।এ বার প্রথম বার রথযাত্রা হবে এখানে।তিনি আরও বলেন, রথযাত্রায় একটা সোনার ঝাড়ু থাকে, আপনারা জানেন।“ওটার জন্য আমার পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা দেব।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *