দিন দর্পণ, কলকাতাঃ শাকসবজির মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই হিমঘরে আলু সংরক্ষণের সময় বৃদ্ধি করল রাজ্য।৩১শে ডিসেম্বর অবধি হিমঘরগুলিতে আলু সংরক্ষণ করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।তবে এই বাড়তি সংরক্ষণে নির্দিষ্ট হারে বর্ধিত ভাড়া গুনতে হবে আলু ব্যবসায়ীদের।শনিবার এমনই এক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে রাজ্যের বিপণন দফতরের তরফ থেকে।তবে, ভিনরাজ্যে আলু রপ্তানি নিয়ে জটিলতা না কাটায় সোমবার রাত থেকে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যের আলু ব্যবসায়ীরা।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের হিমঘরগুলির জন্য কুইন্টাল পিছু ১৯টাকা ১১পয়সা, দক্ষিণবঙ্গের হিমঘরগুলির জন্য ১৮টাকা ৬৬পয়সা বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে সংরক্ষণকারীদের।ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বাজারে আলুর দাম একেবারেই তুঙ্গে।এবং এই মূল্যবৃদ্ধির আগুনে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মানুষের।
সরকারি নিয়মানুযায়ী, প্রতি বছর ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত হিমঘরে আলু সংরক্ষণ করতে পারেন আলু ব্যবসায়ীরা।চলতি বছর নভেম্বরের শেষে সেই মোতাবেক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল রাজ্য।কিন্তু নিধারিত সময়ের মধ্যে হিমঘর খালি না হওয়ায়, পাশাপাশি নতুন ফসল ওঠার দরুণ বেশ কিছুটা সময় রয়েছে বলে হিমঘরে আরও একমাস আলু সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়।যদিও এই সময়সীমা বৃদ্ধিতে খুব একটা স্বস্তিতে নেই সংরক্ষণকারীরা।তারা জানান, মূল্যবৃদ্ধির কারণে নভেম্বরের শেষেও হিমঘরে যে পরিমাণ আলু মজুত রয়েছে, তাতে ডিসেম্বরের শেষেও হিমঘরগুলি খালি করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা রয়েছে। অন্যদিকে, আলু রফতানির ক্ষেত্রে রাজ্যের সীমানা জটিলতার অভিযোগে সোমবার রাত থেকেই আবারও ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে অনড় রাজ্যের ব্যবসায়ী সমিতি।তারা জানিয়েছে, সোমবারের মধ্যে সীমানায় পুলিশি হয়রানি বন্ধ না করলে এবং আলু বোঝাই গাড়িগুলির জন্য সীমানা শিথিল না করলে আবারও ধর্মঘটে লিপ্ত হবে।এরফলে মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের বাজারগুলিতে আলুর জোগান কমতে থাকবে।সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবেই শীতের মরশুমে আলুর দাম বাড়তে পারে এমনটাই জানান রাজ্যের ব্যবসায়ী সমিতি।
