দিন দর্পণ, কলকাতাঃ আবারও বঙ্গোপসাগরে দানা বাঁধছে এক সাইক্লোন।বঙ্গোপসাগর ফের ঘনিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফেইঞ্জাল।বেশ কয়েকদিন আগে থেকে পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর।আগামী কালই ল্যান্ডফল।এই ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ যদিও তামিলনাড়ুর দিকে তাই বঙ্গে সেভাবে প্রভাব পড়বে না।কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গে শীতের মুখে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়।এই এক সপ্তাহ আবহাওয়ার পরিবর্তনও হতে শুরু করেছিল কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।তাপমাত্রার ওঠানামা বোঝা যাচ্ছিল। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ ভারতের উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টিও শুরু হয়েছে।
এবার সেই সাইক্লোন ফেইঞ্জল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল মৌসম ভবন।এখন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে কলকাতায় তাপমাত্রা।এই কয়েকদিন আর সেভাবে পরিবর্তন হবে না তাপমাত্রা।নিম্নচাপের ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা আর নেই।ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা তুলে নিল মৌসম ভবন।শক্তি হারাচ্ছে ফেইঞ্জল।গভীর নিম্নচাপ ঢুকবে তামিলনাড়ুর উপকূলে।২ দিনে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে কলকাতার।বুধবার আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আজ শুক্রবার আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এই জন্য দায়ী বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপ।জলীয় বাষ্প ঢোকায় পারদপতনে বাধা পড়ছে।
এই অবস্থায় নিম্নচাপে সপ্তাহান্তে হালকা বৃষ্টির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বাংলার উপকূলে।শুক্রবার মৌসম ভবনের তরফে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।২৯ নভেম্বর শুক্রবার থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এবং ৩০ নভেম্বর শনিবার ও পয়লা ডিসেম্বর রবিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়।এর জেরে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।শ্রীলঙ্কা ও তামিলনাড়ু উপকূলেও মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
তবে এখনই বঙ্গে শীত নয়।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, জাঁকিয়ে শীত পরতে ডিসেম্বর এর মাঝামাঝি।তবে এই সময় দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।এছাড়াও, এই হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে বয়স্ক এবং শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলছেন চিকিৎসকরা।
