দিন দর্পণ, মুম্বাইঃ ১৬ বছর কেটে গেছে। কিন্তু মুম্বাই হামলার স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেড়ায় গোটা ভারতবাসীকে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ের তাজ হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাল, নরিম্যান হাউস, কামা হসপিটাল, মেট্রো সিনেমা সহ একাধিক জায়গায় হামলা করে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট লস্কর ই তৈবার জঙ্গিরা। মোট ১০ জন জঙ্গি একত্রিত হয়ে এই হামলার চক্রান্ত গঠন করে। সেই হামলা রুখতে বহু বীর সন্তান প্রান দিয়েছিলেন। মোট ১৬৬ জন বীর সৈন্যের মৃত্যু হয়। তার মধ্যে ছিলেন ২০ জন নিরাপত্তারক্ষী এবং ২৬ জন বিদেশী নাগরিক। এমনকী ৩০০ জনেরও বেশী মানুষ আহত হন এই মর্মান্তিক হামলার ঘটনায়।
জঙ্গিদের মধ্যে আজমল কাসভকে বিশেষভাবে ভুলতে পারেনি ভারতবাসী। মাত্র ২১ বছর বয়সী এই হামলাকারী বন্দুক হাতে ঘুম কেড়েছিল ভারতীয় নাগরিকদের। তারল একাধিক ছবি ভাইরাল হয় এই ঘটনার পর। তাদের দেখে শিউড়ে ওঠে এগাটা ভারতবাসী। মুম্বাইয়ের হামলা রুখতে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন তুকারাম অম্বলে। নিরস্ত্র অবস্থায় আজমল কাসভকে পাকড়াও করেছিলেন তিনি। তবে জঙ্গি নিধনের যুদ্ধের অন্যতম যোদ্ধা মেজর সন্দীপ উন্নিকৃষ্ণণের কথাও ভোলা চলে না। তাজ হোটেলে এনএসজি কম্যান্ডো লিড গঠন করেছিলেন তিনি। তবে দুর্ভাগ্যবশত জঙ্গিগের গুলিতেই প্রাণ যায় তাঁর। পরে তাঁকে মরণোত্তর অশোক চক্র দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও পড়শি পাকিস্তানে নির্দিধায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভারতের বার বার আর্জি সত্তেও ওই ষড়যন্ত্রকারীদের ন্যায় বিচারের জন্য তুলে দেয়নি পাকিস্তান।
