HANDCART- মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে টোটোর দাপটে রুজির সঙ্কটে প্যাডেল রিক্সা চালকরা


রাজেন্দ্রনাথ দত্ত, ৩০.০৩.২৪ সময়ঃ ০৪.১৬

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্যাডেল রিক্সা যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। শহর থেকে গ্রাম, কোথাওই আর সেভাবে প্যাডেল রিকশা চোখে পড়ছে না। দু-চারজন এখনও কোন‌ওরকমে এই প্যাডেল রিক্সা চালিয়ে রোজগারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু আর কতদিন টোটোর সঙ্গে অসম লড়াই করে তাঁরা টিকে থাকতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ আছে। দ্রুতগামী হওয়ায় এবং নির্ঝঞ্ঝাটে একসঙ্গে অনেকে মিলে পাড়ার অলিগলি দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ থাকায় দ্রুতই প্যাডেল রিক্সার জায়গা দখল করে নিচ্ছে টোটো।শহরের পথে এখন আর শোনা যায় না প্যাডেল রিক্সার হর্নের প্যাঁ পুঁ শব্দ। একসময় বহরমপুর কোর্ট স্টেশনের সামনে থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাজারগুলির সামনে এবং বাস স্ট্যান্ডে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত রিক্সা। আলাদা করে থাকত রিক্সা স্ট্যান্ডও। সেখানে গেলেই মিলত তিন চাকার সাইকেলে রিক্সা। সেই সময় রিক্সায় চড়ার চল ছিল এতটাই যে রিক্সা পাওয়া মুশকিল হয়ে যেত সাধারণ মানুষের। কিন্তু এখন কান্দী, বেলডাঙা ও বহরমপুর শহরে সেসব জায়গায় গেলে শুধুই চোখে পড়ে টোটোর ভিড়। রিক্সার জায়গা সেখানে নেই বললেই চলে।অনেক খুঁজলে হয়ত দু’চারটে রিক্সা চোখে পড়তে পারে। তবে তারা আর কতদিন সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এদিকে টোটোর দাম কয়েক লক্ষ টাকা হওয়ায় দরিদ্র রিকশাচালকদের সকলের পক্ষে পেশা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এই অবস্থায় অসহায় গরিব মানুষগুলো আগামী দিনে কীভাবে সংসার চালাবেন সেটাই সবচেয়ে বড় চিন্তা হয়ে দেখা দিয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দী, বহরমপুর, বেলডাঙা, রঘুনাথগঞ্জ, জঙ্গীপুর ও ডোমকল শহরে একসময় চলত প্রায় কুড়ি হাজারের মত রিক্সা। সেখানে বর্তমানে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ টি রিক্সা এসে দাঁড়িয়েছে। সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে টোটো। ভবিষ্যতে হয়ত স্মৃতির খাতাতেই থাকবে তিন চাকার সাইকেল রিক্সা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *