আমজাদ শেখ, 27.02.24 সময়ঃ 03.49
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিয়ের পর থেকেই স্বামীর অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের অগ্রদ্বীপের বাসিন্দা সন্তোষী সরকার। স্বামী বুড়ো সরকার প্রতি দিন অকথ্য গালিগালাজ সহ মারধরও করতেন। এরপর কোনোভাবে ফোনে আলাপ হয় পার্শবর্তী গ্রামের বাসিন্দা সহদেব হাজরার সঙ্গে। দিনের পর দিন কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে বাড়ে ঘনিষ্টতা। সেই সময় সহদেব থাকতো মুম্বইতে। এরপর কোনো একদিন অশান্তি সহ্য করতে না পেরে দুই সন্তানকে ছেড়ে মুম্বইতে পালিয়ে যায় সন্তোষী। সেখানে কিছুদিন থাকার পর ফিরে আসে সহদেবের বাড়িতে।
এরপর সহদেবের বাড়িতে পুলিশ এলে পুলিশকে সোজা জানিয়ে দেন সন্তোষীর বর্তমান স্বামী সহদেব, তাঁদেরকে কখনই আলাদা করা যাবে না।
এদিকে সন্তোষী এবং সহদেবের বিয়েটাকে মেনে নিয়েছে সহদেবের বাড়ির লোক।
সন্তোষী ক্যামেরার সামনে জানিয়েছে বর্তমানে তার বয়স 28, তার এক মেয়ে রয়েছে 10 বছরের এবং এক ছেলে রয়েছে 8 বছরের। তাহলে হিসেব করলে দেখা যাবে সন্তোষীর হয়তো নাবালিকা অবস্থাতেই বিয়ে হয়েছে। আবার অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কথাও জানা গিয়েছে, পাশাপাশি অহেতুক সন্দেহ মারধর তো রয়েছেই। আর এই অহেতুক সন্দেহ করাটা একটা মানসিক সমস্যার লক্ষণ বলে থাকেন চিকিত্সকেরা। তাহলে কি ধরে নিতে হবে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, মানসিক সমস্যা এবং নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে হওয়ার কারণগুলোই দায়ী তাদের সম্পর্কের অবনতির জন্য। যার বলি হতে হলো দুটো নিস্পাপ শিশুকে।
