বাবন ধুঁয়া, ২০.০২.২৪ সময়ঃ ০২.৫৭
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ ফসলের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপিনিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল প্রতিবাদী কৃষকরা। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার মধ্যবর্তী শম্ভু সীমান্ত এলাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলন করে কৃষকরা জানান, সরকারের দেওয়া প্রস্তাবে তাদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না।
কৃষক নেতা সরওয়ান সিং পান্ধের জানান, “কোনও মতেই সরকার আমাদের দিল্লিতে পৌঁছতে দিতে চায় না। কিন্তু আলোচনার মাধ্যমে যদি সমাধান না হয় তাহলে আমরা দিল্লি যাবই।
এদিন, সংযুক্ত কৃষক মোর্চা নেতা, জগজিৎ সিং ডালেওয়াল বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার পাম তেল আমদানি করার জন্য ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করে। এই অর্থ কৃষকদের উৎপাদিত তৈলবীজের জন্য বরাদ্দ করা হলে, তাঁদের অনেক উপকার হবে।
রবিবার প্রতিবাদী কৃকদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে কেয়কটি প্রস্তাব দেওয়া হয়. প্রস্তাবে বলা হয়, আগামী পাঁচ বছরের জন্য ডাল, ভুট্টা ,তুলোর মতো শস্যগুলো নূন্যতম সহায়ক মূল্যে কিনবে কেন্দ্র। তবে এই প্রস্তাব ভেবে দেখতে দুদিন সময় চেয়ে নেন কৃষক নেতারা। তার আগে পর্যন্ত দিল্লি চলো অভিযান স্থগিত রাখা হয়।শম্ভু সীমান্তে কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পান্ধের জানান, সরকারের প্রস্তাব তাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি। প্রতিবাদী কৃষকরা বুধবার থেকে ফের শান্তিপূর্ণভাবে দিল্লির দিকে তাদের পদযাত্রা শুরু করবে।
সোমবার কেন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে বসেন কৃষক নেতারা। সেখানে ওই প্রস্তাব কার্যত খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিসান মোর্চা আজ বিকেলে ওই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, কেন্দ্রকে মোট ২৩টি ফসল ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কিনতে হবে। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারেও সেই প্রতিশ্রুতি ছিল।
