মেহবুব গাজী, ১৯.০২.২৪ সময়ঃ ০৫.৪৭
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ দিনে দিনে বঙ্গোপসাগরে মিশে যাচ্ছে কপিল মুনির আশ্রম। আগামী দিনে আদৌ এই তীর্থস্থান থাকবে কিনা, তা নিয়ে আশঙ্কার মেঘ জমেছে তীর্থযাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্থানীয় পরিবহন ব্যবসায়ীদের। এখন আর বছরে একবার নয়, বলতে গেলে সারা বছরই মানুষের আনাগোনা লেগে থাকে এই তীর্থস্থানে। তাই স্থানীয় অটো, টোটো চালক, মন্দির সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের লক্ষ্মীলাভও ভালোই হয়। কিন্তু এই মন্দির না থাকলে কিভাবে তাদের দিন গুজরাবে। এদিকে মেলায় আগত পূর্ণ্যার্থীদের সুবিধার্থে এক পাকা সেতু তৈরীর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সেতু তৈরীতে ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা রাজ্য বাজেটে বলেছেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
গঙ্গাসাগর মেলার আগে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কপিলমুনি মন্দিরের ঢিল ছড়া দূরত্বে ভাঙ্গন রোধের আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে । ফেলা হয়েছে বড় বড় বোল্ডার। এলাকাটি কি পাইলিন দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে কিন্তু কোনোভাবেই ভাঙ্গন রোধ করা যাচ্ছে না। সমুদ্র ভাঙতে ভাঙতে কপিলমুনি মন্দিরের দিকে এগিয়ে আসছে। যা দূরত্ব সিকি কিলোমিটারেও কম। তবে এ বিষয়ে গঙ্গাসাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি স্বপন প্রধান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর সেতু তৈরীর ঘোষণার পর গঙ্গাসাগর বাঁশি খুশিতে আছে, মুখ্যমন্ত্রী শুধু সেতু তৈরি নয় কপিল মুনিকে কিভাবে রক্ষা করতে হবে তার জন্য পাইলট প্রজেক্টে চিন্তা করছেন।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেতু তৈরীর ঘোষণায় ২০২৪-এ ভোটের চমক বলে দাবি করেছেন মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কনভেনার অরুনাভ দাস।
গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলার তকমা দেওয়ার দাবি অনেক দিন আগেই কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাকা সেতু তৈরীরর আশ্বাসও দিয়েছেন। কিন্তু এই মেলা বা মন্দির কি থাকবে, সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন
