গোপাল সুন্দর বিশ্বাস, ১০,০২,২৪ সময়ঃ ০৫,৩২
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ নবদ্বীপের বকুলতলা ফীডার ইন্সটিটিউট। শিক্ষক বদলি নিয়ে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিলো। নতুন শিক্ষক কৌস্তভ সরকারকে তারা ঢুকতে দেবে না এই স্কুলে। কারণ কৌস্তভ সরকারের নাকি ব্যাড রেকর্ড রয়েছে। তালা চাবি নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন অভিভাবকরা। শিশুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন গো ব্যাক শ্লোগান লেখা ব্যানার।
শিক্ষক বদলি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে রয়েছে নবদ্বীপের বকুলতলা ফীডার ইনস্টিটিউটে। শিক্ষক-অভিভাবক টানাপোড়েনের মাঝে পড়ে শিশুদের পঠন-পাঠন একেবারে উঠেছে শিকেয়। তবে যে শিক্ষককে নিয়ে এত কিছু, সেই কৌস্তভ সরকার যে স্কুল থেকে বদলি হয়ে আসছেন প্রধান শিক্ষক পদে উন্নীত হয়ে আসছেন বকুলতলা ফীডার ইন্সটিটিউটে। সেই প্রণবানন্দ বিদ্যাপীঠে গিয়ে আমরা যোগাযোগ করি। কথা বলি সেখানকার অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সঙ্গে। আর সেখানে গিয়ে আমরা যেটা দেখলাম, সেটা দেখলে চোখ কপালে উঠবে আপনার। তারা তো কৌস্তভ সরকারের নামে সুনাম করলেন। এতটুকু কু-কথা তাঁর নামে শোনা গেলো না। উপরন্ত তাঁরা দাবি করছেন, নিশ্চই বকুলতলা ফীডার ইন্সটিটিউটে এমন কোনো অজানা রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, যার জেরে এভাবে অসম্মানিত হতে হল কৌস্তভ সরকারকে। এমন বেনজির ঘটনার সাক্ষী বোধহয় শিক্ষা দফতরে প্রথম। এদিকে যে শিক্ষককে নিয়ে এত চাপানউতোর, সেই কৌস্তভ সরকার উপযুক্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বকুলতলা ফীডার ইন্সটিটিউশনের গেটে দাড়িয়ে থাকা অভিভাবকদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। আপনারাই বলুন তো এটা কি একটা সভ্য সমাজে হতে পারে? অগত্যা শিক্ষক কৌস্তুভ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর নবদ্বীপ সরকার স্থিত SI অফিসে হাজিরা দিচ্ছেন। সেখানে তিনি ঘণ্টার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছেন। তবে তিনি জানাচ্ছেন, যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁদের মধ্যে অনেকে ঐ স্কুলের অভিভাবক নন। সবটা শুনে আপনার মনে হতেই পারে এই ঘটনা পরিকল্পিত। তবে এর পেছনে কে বা কারা আছে তার সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার। শিক্ষাঙ্গনে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। আর যাই হোক না কেন শিশুদের তো এই ঘটনায় জড়ানোটা বোধহয় অভিভাবকদের উচিত্ হচ্ছে না।
