GYANVAPI MOSQUE THINGS FOUND- বেসমেন্টেই লুকিয়ে রহস্য মিলেছে বহু প্রাচীন সামগ্রী


বাবন ধুঁয়া, ০৫.০২.২৪ সময়ঃ ০৫.২১

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ

জ্ঞানবাপী মসজিদের ব্যস তয়খানার দক্ষিণ অংশে ইতিমধ্যেই পুজো শুরু করেছে হিন্দুরা। জেলা বিচারক ড. অজয় কৃষ্ণ বিশ্বেসের নির্দেশিকার পর এই বেসমেন্টে নিত্য পুজোপাঠ শুরু হয়েছে গত সপ্তাহ থেকেই । মসজিদের এই অংশেই ১৯৯৩ সালের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত পুজো হত বলে দাবি হিন্দুপক্ষের। তবে তৎকালীল মুলায়ম সিং যাদব সরকার মসজিদের অন্দরে পুজো বন্ধ করে দেয়। সিল করে দেওয়া হয় বেসমেন্ট। তারপর মসজিদ চত্বরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ প্রবন্ধন সমিতি অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদকে। কোর্টের নির্দেশে এবার বারাণসীর জেলাশাসক সেখানে পুজো করার যাবতীয় বন্দোবস্ত করেছেন।

মসজিদের অন্দরে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই যে বৈজ্ঞানিক সার্ভে চালিয়েছিল তাতে জ্ঞানবাপীর অন্দরে এই বেসমেন্টের মধ্যেই হিন্দু দেবদেবীর অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। সেই রিপোর্ট পেশ করে দাবি করেছে হিন্দু পক্ষ। এই বেসমেন্টেই সর্বাধিক বেশি হিন্দু চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে এএসআই রিপোর্টে।

হিন্দু পক্ষের দাবি, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগের রিপোর্ট প্রমাণ করছে জ্ঞানবাপীর অন্দরে এই অংশেই হিন্দু দেবতাদের নিত্য পুজো হত। এই অংশে সার্ভে চলাকালীন কী কী পৌরাণিক সামগ্রী পায় এএসআই আধকারিকরা?

জ্ঞানবাপীর এএসআই সার্ভে রিপোর্ট অনুযায়ী, বাস্তু শিল্পের সঙ্গে জড়িত নানা হিন্দু চিহ্ন, কারুকার্য করা পাথর, শিলালিপির অংশ, আলাদা আলাদা শাস্ত্রের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে এই বেসমেন্টে। হিন্দু পক্ষের দাবি অনুযায়ী, জ্ঞানবাপীর বেসমেন্টে পাওয়া গিয়েছে আটটি শিবলিঙ্গ। এ ছাড়াও মোট ২৫৯টি সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দেবদেবীর মূর্তির ভাঙা খণ্ড, শিবলিঙ্গ, শিলালিপি ইত্যাতি। বেসমেন্টের পশ্চিম অংশের দেওয়ালের দিকে ১১৫টি এবং দক্ষিণ দিকের অংশে ৯৫টি বস্তু পাওয়া গিয়েছে। ২৫৯টির মধ্যে ৫৫টি হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আটটি শিবলিঙ্গ, বিষ্ণু প্রতিমা, একটি মকর, একটি শ্রীকৃষ্ণ মূর্তি, দু’টি গণেশ মূর্তি, দু’টি হনুমান মূর্তি পাওয়া গিয়েছে জ্ঞানবাপীর মসজিদে। এ ছাড়াও দু’টি টেরাকোটা প্রতিমা, ৬৬টি ধাতু মূর্তির অংশ পাওয়া গিয়েছে।

জ্ঞানবাপী মসজিদের এই ব্যসজির তয়খানা অর্থাৎ বেসমেন্টে পুজোর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চলছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসের পর পুরোহিত ব্যসকে এই চত্বরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। ব্যারিকেড করে দেওয়া হয় এই বেসমেন্ট। সেখানে যা কিছু পুজার্চনা হত, সমস্ত রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, বংশ পরম্পরায় তাঁর পরিবার ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে পুজো করতেন।

—————


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *