সুপর্ণা দে, ২৯.০১.২৪ সময়ঃ ০২. ১৮
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ জর্ডন রবিবার বলেছে যে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা, যেখানে তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে, সেটি তার ভূখণ্ডে ঘটেনি। যদিও ওয়াশিংটন আগে জানিয়েছিল জির্ডন সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে। জর্ডনের দাবি তাদের সীমান্তের কাছে সিরিয়ার একটি সেনা ঘাঁটিতে এই ঘটনা ঘটেছে। সরকারের মুখপাত্র মুহান্নাদ মুবাইদিন বলেছেন যে, ‘আমেরিকান বাহিনীকে লক্ষ্য করে যে হামলা হয়েছে তা জর্ডনে ঘটেনি… এটি সিরিয়ার আল-তানফ ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে’। যেখানে মার্কিন বাহিনী আন্তর্জাতিক জেহাদি বিরোধী জোটের অংশ হিসেবে মোতায়েন রয়েছে।ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবার আমেরিকান সামরিক কর্মী নিহত হয়েছে। এই ঘটনাটি এই অঞ্চলে আরও উত্তেজনা বাড়াবে এবং ইরানকে সরাসরি জড়িয়ে একটি বিস্তৃত সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলবে বলেই মনে করা হচ্ছে। হামাস বলেছে যে মার্কিন সৈন্যদের মৃত্যু দেখায় যে ইজরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন এটিকে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিরোধের মুখে ফেলতে পারে যদি গাজায় নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারাতে থাকে। এবং সেখানে যুদ্ধ একটি ‘আঞ্চলিক বিস্ফোরণ’ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হামলার এই হামলার বিষয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যদিও আমরা এখনও এই হামলার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি, আমরা জানি এটি সিরিয়া ও ইরাকে সক্রিয় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলি দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল’। প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, ‘আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখব। এবং কোন সন্দেহ নেই, আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী সময়ে সকলকে জবাবদিহির আওতায় আনব’। হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি বলেছেন, সৈন্যদের হত্যা ‘আমেরিকান প্রশাসনের কাছে একটি বার্তা যে গাজায় নিরীহ মানুষ হত্যা বন্ধ না হলে, এটি সমগ্র (মুসলিম) জাতির মুখোমুখি হতে পারে’।
