গোপাল সুন্দর বিশ্বাস, ১৩.০১.২৪ সময়ঃ ৪.২৪
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ পৌষ সংক্রান্তি মানেই পীঠে, পুলি, পায়েস আরও কত কি। নাওয়া-খাওয়া প্রায় ভুলে নবদ্বীপের মৃৎশিল্পীরা এখন ব্যস্ত সরা তৈরীতে। এক সময় ঠাকুমা, মাসিমা, দিদিমারা ফি বছর এই সরাতেই বানাতেন পিঠে। এক সময় অনেক চাহিদা থাকলেও, এখন আর সেই চাহিদা নেই। কারণ, বর্তমানে এখন অনেকেই বাড়িতে পিঠে পুলি বানানোর ঝক্কি ঘাড়ে নিতে চান না। তার ওপর আবার কাঁচা মালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেভাবে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না শিল্পীরা। বাপ ঠাকুর্দার ব্যবসা ঠিকিয়ে রেখেছেন অনেকেই। শিল্পীরা শৈত্য প্রবাহকে উপেক্ষা করে এঁটেল মাটি দিয়ে তৈরি করেন এই সরা। কোনও সরার নাম এক খুঁটির সরা আবার কোনটা সাত খুঁটির সরা। প্রতিটি সরার জন্য একটি করে মাটির ঢাকনাও তৈরি করা হয়। চলতি ভাষায় একে ঢাকন বলে। এরপর সেই সরাগুলিকে রৌদ্রে শুকিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। তারপর সেগুলিকে একটি একটি করে বাছাই করে তা পাইকারি ও খুচরো হিসেবে বিক্রি করা হয়। আকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের সরা সহ ঢাকনার দামও বিভিন্ন রকম হয়।
