সচিনকে ছাপিয়ে ১২-তেই রঞ্জি অভিষেক বৈভবের


দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্ক,  সচিন তেন্ডুলকারকে একটা সময় ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময়বালক বলা হতো। সচিনের ১৫ বছর বয়সে রঞ্জি অভিষেক হয়েছিল মুম্বইয়ের হয়ে। রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে সেই মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেই বিহারের বৈভব সূর্যবংশীর অভিষেক হল মাত্র ১২ বছর ২৮৪ দিনে।

১২ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলতে নামে কোনও খুদে, এমন ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। যে বয়সে অনেকে ক্রিকেট খেলাই শুরু করে না। কিংবা করলেও বয়সভিত্তিক গ্রুপে খেলে থাকে। আবার এও দেখা যায়, সবেমাত্র পিঠে কিটস ব্যাগ নিয়ে কোচিং সেন্টারে খেলা শিখতে যায়।

সেই বয়সে বিহারের হয়ে রঞ্জি খেলতে নেমেছে বৈভব। এই খুদে ক্রিকেটার গত দু’বছর ধরেই আলোয় ছিল। ধারাবাহিকভাবে রান করছিল ঘরোয়া ক্রিকেটে। এর মধ্যেই অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলের হয়েও খেলে ফেলেছে এই প্রতিভাধর ব্যাটার।

বৈভব ভারতের চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার, এর আগে তিনজন ১৩ বছরের মধ্যেই প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ১৯৪২-৪৩ মরসুমে আলিমুদ্দিন নামে এক খুদে বরোদার বিরুদ্ধে রাজপুতানা দলের হয়ে রঞ্জি সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল। তারপর নজির ছিল আরও তিনজনের, সমর কুমার বসু ও মহম্মদ রামজানের।

আলিমুদ্দিনের বয়স ছিল সেইসময় ১২ বছর ৭৩ দিন। বিহারের হয়ে সমরকুমার বসুর অভিষেক হয়েছিল ১২ বছর ৭৬ দিনে। রামজানের অভিষেক হয় ১২ বছর ২৪৭ দিনে। বৈভবকে দলে নেওয়া হয়েছে কোচবিহার ট্রফিতে তার দুরন্ত পারফরম্যান্সের জন্য। ঝাড়খন্ডের বিরুদ্ধে ১২৮ বলে ১৫১ রান করেছে বৈভব। ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও তিনটি ছয়। শুক্রবার বিহার টসে জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠায়। মাত্র ২৫৯ রানে নয় উইকেট হারায় মুম্বই। মুম্বইয়ের হয়ে ভুপেন লালওয়ানি (৬৫), সুবেদ পার্কার (৫০), তানুস কতিয়ান(৫০) ও শিবম দুবে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন। বিহারের হয়ে চার উইকেট নেন বীর প্রতাপ সিং। দু’টি করে উইকেট নেন সাকিবুল গানি ও হিমাংশু সিং। একটি উইকেট পান আশুতোষ আমন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *