সুপর্ণা দে, ১০.০১.২৪ সময়ঃ ২.২৯
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়ল কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রর। তাঁর কন্ঠস্বর সংক্রান্ত যে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তার ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করল না বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।
ফলত, তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। এনিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় নানা জটিলতা। কোনোভাবে তা সংগ্রহ করা হয়। এরপর বিচারপতি সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যান সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। কিন্তু সেই নির্দেশই বহাল রাখে বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। অতএব কন্ঠস্বর পরীক্ষায় কোনো বাধা থাকল না।
তবে বিচারপতি সেন ট্রায়ালে কন্ঠস্বরের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়ছেন। এনিয়ে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী তাঁর সওয়ালে বলেন, গত বছরের জুলাই মাস থেকে আমরা এস.এস.কে.এমে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি। বারবার বাধা পেয়েছি। অনেক কষ্টে যখন কন্ঠস্বর জোগাড় করা হয়েছে, তাহলে সেটা ব্যবহারের বাধা কোথায়। এমনভাবে চলতে থাকলে তদন্তে তো দেরি হবেই। গোটা রাজ্য প্রশাসন আমাদের বিরুদ্ধে। প্রতিপদে তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ‘‘আমরা তদন্ত শেষ করব কীভাবে? এরপরই সন্দেশখালির ঘটনা তুলে বলেন, ‘‘আমাদের তদন্তকারী আধিকারিকদের মারধর করা হচ্ছে। এফআইআর করা হচ্ছে।’’
এরপর বিচারপতি সেনের মন্তব্য, ‘‘আইন অনুযায়ী প্রত্যেক অভিযুক্তের কিছু অধিকার থাকে। সেক্ষেত্রে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র তাঁর কন্ঠস্বরের নমুনা দিতে অস্বীকার করতেই পারেন। তাই কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিংহ সঠিক কাজ করেননি।
