বাবন ধুঁয়া, ০৬.০১.২৪ সময়ঃ ৬.২১
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ নতুন বছরের শুরুতে আরও এক সোনালি পালক জুড়ল ইসরোর মুকুটে। মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সফল ভাবে ‘গৃহপ্রবেশ’ আদিত্য এল১-এর।ভারতের প্রথম সৌরযান আদিত্য়-এল১-কে নির্দিষ্ট গন্তব্য ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছে দিতে সক্ষম হল ইসরো।১২৬ দিন মহাকাশে কাটানোর পর অবশেষে ওই হ্যালো অরবিটের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছে আদিত্য এল১ । চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের পর ভারতের প্রথম সৌর মিশন আদিত্য-এল ১ শনিবার বিকেল ৪টেয় তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় নির্দিষ্ট কম্যান্ড দিয়ে আদিত্য-এল১-কে পাঠিয়েছে L1 পয়েন্টের হ্যালো কক্ষপথে। উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সূর্যের দিকে যাত্রা শুরু করে আদিত্য-এল১। ১৫ লাখ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শেষ পর্যন্ত হেসে খেলে ‘নিজের বাড়িতে’ সফল ভাবে পা রাখল আদিত্য-এল১।
ইসরোর বিজ্ঞানীরা চরম আশাবাদী ঠিকই, তবে সূর্যের ওপর নজরদারির কাজটা মোটেও সহজ নয়। অতীতে ইউএসএ-র মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র নাসার পার্কার, উইন্ড, এস এবং ডিসকভার আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও নাসার যৌথ উদ্যোগে পাঠানো মহাকাশযান সোহো সূর্য নিয়ে গবেষণা করতে উড়েছে। এবার ভারতও সেই দলে যোগ দিল।
ইসরোর আদিত্য L1 পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে আগামী ৫ বছরের জন্য। সৌরজগৎ নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে আসতে পারে। সূর্যের L1 পয়েন্টে পৃথিবী এবং সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি একই থাকে। ISRO বিজ্ঞানীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আদিত্যকে L1 পয়েন্টের চারপাশে হ্যালো অরবিটে স্থাপন করা। আদিত্য এল ওয়ানে রয়েছে সাতটি পেলোড। এই সাতটি পেলোড সূর্যের বিভিন্ন রহস্য উন্মোচন করবে। এই পেলোডগুলি বিশেষভাবে ফটোস্ফিয়ার, ক্রোমোস্ফিয়ার ও সূর্যের বাইরের স্তরগুলি পরীক্ষা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
