দিন দর্পণ ও ব্যুরো রিপোর্ট
যে গো-মাংসের জন্য এত মারকাটারি অবস্থা গোটা দেশে, যে গো-মাংসের জন্য এত হানাহানি, রক্তক্ষয়, রক্তচক্ষু, নরেন্দ্র মোদির আমলেই ফুলেফেঁপে উঠেছে ভারতের গো-মাংস শিল্প। বর্তমানে ভারত ৬৫টি দেশে মাংস রপ্তানি করছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে উঠে এসেছে এমনটাই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।
গরুর মাংস রপ্তানি নিয়ে ক্ষমতায় আসার আগে কংগ্রেস সরকারের ‘পিঙ্ক রেভলিউশন’ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন, মনমোহন সিংয়ের সরকার ভারতের বেড়ে চলা গরুর মাংস রপ্তানি ইচ্ছাকৃতভাবে উৎসাহিত করেছে, যাতে ১৪ শতাংশ মুসলিম ভোটারকে খুশি রাখা যায়। এর আগে গো-মাংস সরবরাহকারী দেশের তালিকায় ভারত তিন নম্বরে ছিল। ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া পরে ছিল ভারতের স্থান। এখন বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। ভারত এখন দ্বিতীয়। যদিও কোনও কোনও মাধ্যম বলছে ভারত প্রথম।
ভারতে মহিষের সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ এবং গরুর সংখ্যা ৭ কোটি ৬০ লাখের বেশি। দুধ উৎপাদনের পর গরু-মহিষের মাংস ও চামড়া শিল্পে ব্যবহার করা হয়, যা বৈদেশিক রফতানির পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে।
ভারতের মাংস রফতানি ৬৫টি দেশে পৌঁছেছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে ভারতীয় মাংসের চাহিদা বেশি। কারণ, এ মাংস আসে মুক্ত চারণভূমিতে লালিত গরু-মহিষ থেকে, যা তুলনামূলক স্বাস্থ্যসম্মত বলে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের মাংসের দাম অনেক সময় ব্রাজিল বা অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় কম হওয়ায় এটি ক্রেতাদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
