পাকিস্তানের সাথে সমস্ত অমদানি নিষেধাজ্ঞা করল ভারত


দিন দর্পণ, ৩মে, নয়াদিল্লিঃ পহেলগাঁও জাঙ্গি হামলার পর থেকেই দ্ইু দেশের সম্পর্কে চিড় খেয়েছে।সময়ের সাথে দুই দেশের মধ্যে তৈরি হচ্ছে যুদ্ধের পরিস্থিতি।এই আবহে এবার ভারত এক অবিনব পরিকল্পনা করে ফেলল।পাকিস্তান থেকে এবং সেদেশের মাধ্যমে কোনওরকম পণ্য আমদানিতে  নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার।শনিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমনই ঘোষণা করেছে বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর।

এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে উৎপন্ন বা রপ্তানি করা সমস্ত পণ্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আমদানি বা পরিবহন, তা অবাধে আমদানিযোগ্য হোক বা অনুমোদনসাপেক্ষ, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে নিষিদ্ধ করা হল।ভারত জাতীয় নিরাপত্তা এবং জননীতির স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এই নিষেধাজ্ঞার উপর কোনও ব্যতিক্রমের জন্য ভারত সরকারের থেকে পূর্ব অনুমোদন নিতে হবে।ইতিমধ্যেই এই নিষেধাজ্ঞা লাগু হয়ে গিয়েছে ভারতে।বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সমস্ত বন্দরও।

২ মে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় লেখা হয়েছে, ‘‘পাকিস্তান থেকে আসা যে কোনও পণ্যের ডিরেক্ট বা ইনডিরেক্ট আমদানি পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।’’এবিষয়ে ২০২৩ সালের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির একটি বিষয় উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের ডিরেক্টরেট জেনারেল ওই নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জন নীতির কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই নিষেধাজ্ঞা ভাঙতে গেলে ভারত সরকারের বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হবে।সাধারণত, পাকিস্তান থেকে রকসল্ট, ড্রাই ফ্রুট, তামা, কাচের জিনিসপত্র, জৈব রাসায়নিক, সালফার, ফল এবং বাদাম এবং কিছু তেলবীজ আমদানি করা হয় ভারতে।

পকিস্তান একাধিক ক্ষেত্রে ভারতীয় পণ্যে উপর নির্ভরশীল।কিন্তু, বাণিজ্য বন্ধের কারণে পাক বাজারে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটার সংকট বেশি তা হল ওষুধ।ভারতের বাজার থেকে কাঁচামাল না গেলে বিনা চিকিৎসায় প্রাণ যেতে পারে বহু পাকিস্তানির।সংকট বুঝে তড়িঘড়ি দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পাক সরকারের আধিকারিকরা।এর মধ্যেই ভারতের তরফে এই ঘোষণায় আরও বিপদ বাড়ল পাকিস্তানের।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *