দিন দর্পণ, ৩০এপ্রিল, দিঘাঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার সকল মানুষের কথা মাথায় রেখে আগেই জানিয়েছিলেন, অক্ষয়তৃতীয়ার দিন সকল বঙ্গবাসী যাতে জগন্নাথ দেবের দ্বারোদ্ঘাটন দেখতে পান সেই সুবিধার্থে প্রত্যেক ওর্য়াডে এলএডি স্কিনের ব্যবস্থা করার জন্য।সেই অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল সাথে ছিল বসার ব্যবস্থাও।বুধবার অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দুপুর তিনটের পর তিনি নিজে দ্বারোদ্ঘাটন করেন।তারপরই তিনি মন্দির পরিদর্শনের পর বলেন, বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে জগন্নাথ দেবের ছবি এবং প্রসাদ।কেবলমাত্র রাজ্যেই নয়, সারা দেশের বিশিষ্টদের কাছেও পৌঁছে যাবে এই জগন্নাথ দেবের প্রসাদ।এই কাজের ভার দিয়েছেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরকে।
২০১৮ সাল থেকে এই মন্দিরের কাজ শুরু হয়।অবশেষে অপেক্ষার দিন গোনা শেষ হয়।জগন্নাথ মন্দিরের উদ্ভোধনের সাক্ষী হতে বহু পর্যটক উপস্থিত হয়েছিলেন দিঘায়।জগন্নাথ দেবের আগমন উপলক্ষ্যে দিঘাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।চন্দন নগরের লাইট দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে দিঘাকে।হোটেল, গেস্ট হাউস ভর্তি।সবাই মন্দিরের দ্বারোদঘাটন, বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার সাক্ষী হতে চান।এদিন মমতা বলেন, ‘দ্বারোদঘাটনের পর অতিথিদের কয়েকটা গ্রুপে ভাগ করে মন্দির ঘুরিয়ে দেখানো হবে।তারপর খুলে দেওয়া হবে আমজনতার জন্য।’
দ্বারোদ্ঘাটনের অনুষ্ঠানে অতিথিদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী মন্দিরের ইতিহাস-ভূগোল বিস্তারিত তুলে ধরেন।তিনি বলেন,‘মন্দিরের চূড়ায় ভগবান বিষ্ণুর অষ্টধাতুর চক্র স্থাপন করা হয়েছে।প্রবেশের জন্য চার দিকে রয়েছে চার দ্বার।রয়েছে ভোগমণ্ডপ।সিংহদ্বার বা মন্দিরের প্রবেশদ্বারের সামনে অরুণ স্তম্ভ।১৬ স্তম্ভের উপর নির্মিত নাটমন্দির।প্রতিদিন দারুমূর্তি পূজিত হবেন।’এ দিন যাঁরা দিঘায় আছেন, হোটেলে থাকলেও কোনও কারণে মন্দির উদ্বোধনে আসতে পারেননি তাঁদের কাছেও প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন মমতা।মন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক ও ইঞ্জিনিয়ারদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।
