দিন দর্পণ, ২৯এপ্রিল, কলকাতাঃ আবারও কলকাতর মেছুয়ার ফলপট্টির কাছে এক হোটেলে অগ্নিকান্ড।একটি বহুতল হোটেলে আগুন লাগে।অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৪।মৃতদের তালিকায় দুই শিশু রয়েছে।এই ঘটনায় আহতদের সংখ্যা প্রায় ১৩ জনের কাছাকাছি।আগুন আতঙ্কে হোটল থেকে বেরতে গিয়ে আহত হয়েছেন ২ জন।ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৮টা নাগাদ জোড়াসাঁকোর মদনমোহন বর্মন স্ট্রিটের ৬ নম্বর লেনের একটি ৬ তলা হোটেলে আগুন লাগে।আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।আগুনের গ্রাসে চলে যায় হোটেলটি।হোটেলের রেস্তরায় থাকা গ্যাস সিলেন্ডারও ফেটে যায় ফলে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়।স্থানীয়রা প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।অগ্নিকান্ডে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছেন কর্মীরা। ঘটনাস্থলে রয়েছে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের টিমও।আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি আটকে থাকা সকলকে উদ্ধারের চেষ্টা চলাচ্ছেন কর্মীরা।আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আতঙ্কিত হয়ে বেশ কয়েক জন হোটেলের কার্নিসে চলে আসেন।দমকলের মই দিয়ে তাঁদেরকে নামানো হয়।জানা গিয়েছে, হোটেলে ছিলেন এ রাজ্যের এবং ভিন্রাজ্যের বাসিন্দারা।
পুলিশ সূত্রে খবর, আনন্দ পাসোয়ান নামে এক ব্যক্তি আগুন থেকে বাঁচতে হোটেলের কার্নিস থেকে নীচে ঝাঁপ দেন।আহত অবস্থায় তাঁকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রবল ধোঁয়ার জেরে হোটেলটি ‘গ্যাসচেম্বার’-এ পরিণত হয়।যার ফলে হোটেলের ভিতরে দমকল কর্মীরা ঢুকতে পারছিলেন না।তাঁরা মই দিয়ে চার ও পাঁচ তলার ঘরের জানলা ভেঙে সেখানে দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করেন।তার পর একে একে হোটেলের আবাসিকদের উদ্ধার করেন।
