দিন দর্পণ, ২৫এপ্রিল, কলকাতাঃ আপাতত এসএসসি ভবনের সামনে থেকে অবস্থান তুলে নিলেন চকরিহারা আন্দোলনকারীরা।অংশিক দাবি পূরণ হওয়ার কারণে গরমের ছুটির আগে পর্যন্ত স্কুলে যাবেন যোগ্য শিক্ষকেরা।আপাতত তাঁদের অবস্থান চলবে শহিদ মিনারে।গত সোমবার থেকে যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশের দাবিতে সল্টলেকে আচার্য সদনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন চাকরিহারা শিক্ষকরা।কথা ছিল সেদিনই যোগ্য-অযোগ্য তালিকা প্রকাশ করা হবে।কিন্তু আসলে তা হয়নি।যার জেরে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়।
ওই দিনের পরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, এভাবে তালিকা প্রকাশ সম্ভব নয়।তিনি বলেন, থার্ড কাউন্সেলিং পর্যন্ত বৈধ বলে ধরা হচ্ছে, বাকি অবৈধ।যা নিয়ে তুমুল ঝামেলা বাঁধে।সেই থেকে এসএসসি ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন চাকরিহারারা।কমিশন ভবনের ভিতরে আটকে রাখা হয় এসএসসি-র চেয়ারম্যানকে।দফায় দফায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে সল্টলেকে।শুক্রবার সেই অবস্থানই তুলে নেওয়ার কথা জানালেন চাকরিহারা শিক্ষকরা।
এ প্রসঙ্গে চাকরিহারা শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে এখানে অবস্থান চালাচ্ছিলাম।যে দাবিগুলি নিয়ে অবস্থান চালাচ্ছিলাম, তার আংশিক পূরণ হয়েছে।কিন্তু, এখনও পর্যন্ত একটা গন্ডগোল রয়েছে।আমরা যোগ্যদের একটা তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছিলাম।সেই তালিকা ডিআই অফিসগুলিতে গিয়েছে।কিন্তু, এই তালিকা যে দায়িত্বের সঙ্গে করা উচিত ছিল, তা হয়নি।শিক্ষকদের রেকর্ড রাখে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সেই কাজ করতে বলা হয়েছে, কারণ তারা সুপারিশ করে।সেখানে কিছু ভুল রয়েছে।কারণ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশের পরও হয়তে কেউ চাকরি করেননি, তাঁর নামও চলে এসেছে।
অযোগ্য হিসেবে পরিচিত হয়েছে, তাঁর নামও চলে এসেছে।আবার যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই, তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে।অনেকে স্কুল পরিবর্তন করেছিলেন, তাঁদের নামও বাদ গিয়েছে।ফলে একটা বড় অংশের শিক্ষক-শিক্ষিকার নাম নথিভুক্ত করা হয়।এই ‘ভুল’ যাতে সংশোধন হয় তার জন্য সময় বেঁধে দিয়ে চাকরিহারাদের তরফে বলা হয়েছে, শুক্রবার এবং শনিবার সময় দেওয়া হয়েছে এসএসসি-কে।তার মধ্যে এসব ঠিক না হলে তাঁরা বিকাশ ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দেবেন।
