২১এপ্রিল শালবনি জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


দিন দর্পণ, ১৭এপ্রিল, কলকাতাঃ রাজ্য সরকার হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।যার ফলে বাংলা বিপুল বিনিয়োগের সুযোগ পায়।তাবে বিরোধীরা তার এই বাণিজ্যের বিনিয়োগকে অস্বীকার করেন।বিরোধীদের অভিযোগ ওড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শুধুমাত্র খাতায় কলমে নয় এবার বাস্তবায়িত করে দেখালেন তিনি।আগামী ২১ এপ্রিল শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস এবং তার পরদিন গোয়ালতোড়ে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।তার ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলেই আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, শিল্পের নতুন গন্তব্য বাংলা।আগামী ২১ এপ্রিল দুপুর দুটোয় শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস।যতদিন যাচ্ছে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।তার ফলে চাহিদা বাড়ছে।আগে মানুষ এসি ব্যবহার করত না।এখন প্রায় সকলে করেন।১১ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়েছে।দেউচা পাচামি হয়ে গেলে আগামী ১০০ বছর সমস্যা থাকবে না।বিদ্যুতের দাম কমে যাবে।আমরা দাম বাড়াই না।সিইএসসি দাম বাড়ায়।এটা আমাদের হাতে নেই।যত পাওয়ার প্ল্যান্ট তত দামে ভারসাম্য আসবে।বলে রাখা ভালো, শালবনিতে ৮০০ মেগাওয়াট করে ২টি প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে।জিন্দালরা ১৬ হাজার কোটি টাকার উপর বিনিয়োগ করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সাগরদিঘিতে পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ চলছে।দুর্গাপুর, বক্রেশ্বরে পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ চলছে।সাঁওতালডিহিতেও কাজ চলছে।বাংলা জুড়ে অনেকগুলো পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে।যার ফলে বাড়বে কর্মসংস্থান।বাংলার মানুষের আয়ও বাড়বে।এখন আর লোডশেডিং হয় না।তারপর আগামী ২২ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টায় গোয়ালতোড়ে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।জার্মানির এক সংস্থা এই প্রকল্পের জন্য ৮০ শতাংশ আর্থিক বিনিয়োগ করেছে।বাকি টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার।৭৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগে এই প্রকল্পটি তৈরি হয়েছে।এছাড়া ওইদিন ২৫টি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।তার মধ্যে ১৫টি জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের আগে সেগুলি যাবে দিঘায়।বাকি ১০টি থাকবে কলকাতায়।উল্লেখ্য,  ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেই মুখমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন কৃষি ও শিল্প , একসঙ্গে নিয়েই এগোবেন।সেই, কথাকে বাস্তবায়িত করছে রাজ্যে সরকার।এর ফলে বাংলার মানুষের বেড়েছে কর্মসংস্থানও।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *