দিন দর্পণ, ১০এপ্রিলঃ হঠাৎই বিমান অবতরণের পরে বমি করতে শুরু করেন পাইলট।বুকে তীব্র ব্যাথা অনুভব শুরু করেন বছর ২৮-এর পাইলট।পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করেছে বুঝে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ওই পাইলটকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বার্তা পাঠান কো-পাইলট।কিন্তু, কোনওরকম চিকিৎসার সুযোগ না দিয়েই মারা যান যুবক।
মৃত পাইলটের বয়স ২৮ বছর।সদ্য কয়েক মাস আগে তাঁর বিবাহ হয়।এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের তরফে বলা হয়, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণে একজন মূল্যবান সহকর্মীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।শোকের এই সময়ে আমাদের সমবেদনা তাঁর পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।এই বিশাল ক্ষতি মোকাবিলায় আমরা তাঁদের সম্ভাব্য সকল সহায়তা দিচ্ছি।’’‘অবাঞ্ছিত বিতর্ক’ এড়াতে ঘটনাস্থল এবং মৃতের নাম গোপন রাখা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
গত কয়েক বছরে ভারতীয় বিমান পরিচালনা সংস্থাগুলির বেশ কয়েক জন পাইলট কর্তব্যরত অবস্থার হৃদ্রোগে মারা গিয়েছেন।কিন্তু, কেন এমন হচ্ছে সে বিষয়ে সকলের মনেই প্রশ্ন।প্রয়োজনীয় বিশ্রামের অভাব এর অন্যতম কারণ বলে অভিযোগ।এই আবহে দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ (ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন) ১ জুলাই থেকে বিমানচালকদের বিশ্রামের নতুন বাধ্যতামূলক বিধি কার্যকর করতে চলেছে।নতুন নিয়মে পাইলটদের সাপ্তাহিক বিশ্রাম ৩৬ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ ঘণ্টা করা হয়েছে।
