দিন দর্পণ, ৫এপ্রিলঃ শ্রীলঙ্কায় তিন দিনের সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।শ্রীলঙ্কার বিমানবন্দরে রাজকীয় ভাবে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।কলম্বোতে মোদিকে স্বাগত জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েক।হোটেলেও তাকে স্বাগত জানানো হয়।ওই হোটেলেএ তার সাথে দেখা হয় প্রবাসী ভারতীয়দের।মোদির এই তিন দিনের সফরে বিশেষ বিশেষ একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মোদির।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমস্টেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল এন্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি।তিনি সেখান থেকেই শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেন।আজ সকালে নমো পা রাখেন পড়শি দেশে।বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও পর্যটন মন্ত্রী বিজিথা হেরাথ, স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী নালিন্দা জয়তিসা, শ্রম মন্ত্রী অনিল জয়ন্ত, মৎস্য মন্ত্রী রামালিঙ্গম চন্দ্রশেখর, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী সরোজা সাবিত্রী পালরাজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী কৃষ্ণাথা আবেসেনা।সকলের থেকে এই রাজকীয় অভ্যর্থনা পেয়ে আপ্লুত মোদি।
এরপর কলম্বোর ইন্ডিপেন্ডেন্স স্কোয়ারে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান, প্রেসিডেন্ট দিশানায়েক।সাক্ষাতে দুই রাষ্ট্রনেতাই ভারত-শ্রীলঙ্কা দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা মজবুত করার বার্তা দেন।এদিন মোদি সোশ্যাল মিডিয়ার এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘কলম্বোতে পৌঁছেছি।বিমানবন্দরে আমাকে স্বাগত জানানোর জন্য মন্ত্রী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।শ্রীলঙ্কায় কর্মসূচি শুরু করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার অনুরাধাপুরা বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মোদি।যেগুলোতে অনুদান দিয়েছে ভারত।এছাড়া তিনি শ্রীলঙ্কার ভবিষ্যতের জন্য অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করতে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকের সঙ্গে আলোচনা বসবেন।
এসময়ে, ভারত মহাসাগরের বুকে চোখ রাঙাচ্ছে চিন।চিনের একাধিক জাহাজ গুলি গবেষণার নামে ‘নজরদারি’ চালাতে সাগরে ঘোরাফেরা করছে।তাদের উদ্দেশ্য ভারতের ভিতরের খবর বের করা।গোটা পরিস্থিতির উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে দিল্লি।চিনের ‘গুপ্তচর’ জাহাজ শ্রীলঙ্কায় নোঙর করার চেষ্টা করছে।এই আবহে মোদির এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা।
